প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে গত সপ্তাহে একটি চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু সোমবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল আবার বিমান হামলা চালিয়েছে, যা সেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি অমান্য করে করা হলো। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কান্তারা ও দেইর সেরিয়ান শহরের মাঝামাঝি এলাকায় এই হামলা পরিচালিত হয়েছে।
হামলার আতঙ্ক এবং চারপাশের ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়েই সাধারণ মানুষ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। লেবাননের মন্ত্রী হানিন এল সাইয়েদ জানিয়েছেন, অন্তত ৪ লাখ মানুষ ইতোমধ্যে নিজেদের এলাকায় ফিরে গেছেন। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর বাসিন্দাদের সংখ্যা ৩৭ হাজার থেকে কমে ১৩ হাজারে নেমে এসেছে। সরকার এখন দেশে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তবে অনেকেই সম্পূর্ণ ধ্বংস হওয়া বাড়িঘরের কারণে এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে আটকা পড়ে আছেন।
লাইদিকে, গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েল বড় ধরনের হামলা শুরু করে। এর ফলে অন্তত ৪ হাজার ২৪৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ১২ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। বহু গ্রাম ধ্বংস হয়েছে এবং ১২ লাখেরও বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন।
এমন অবস্থায়, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন রাজধানী বৈরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। তারা সদ্য হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি কীভাবে আরও ভালোভাবে বাস্তবায়িত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেন। প্রেসিডেন্ট আউন জানান, দক্ষিণ সীমান্ত পর্যন্ত সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়বে।
তবে ইসরায়েলের প্রধান দাবি ছিল হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে হবে, কিন্তু লেবাননের সেনাবাহিনী এই চ্যালেঞ্জটি সত্যিই নিতে পারবে কিনা, তা নিয়ে এখনও বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন