প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খুলনা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৭ : ‘হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার সকালে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাকক্ষে খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এই সেমিনারের আয়োজন করে। এটি রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জাতীয় রপ্তানি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির (এনইটিপি) আওতায় অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আরিফ হাসান। প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, খুলনা অঞ্চলের মৎস্য ও পাট একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। এই খাতের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা প্রয়োজন। গ্রামীণ অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের গুরুত্ব অপরিসীম।
তিনি আরও বলেন, এই খাতে অনেক মানুষ জড়িত এবং এই সেক্টরকে টিকিয়ে রাখতে আমাদের কাজ করতে হবে। মৎস্য সেক্টরে যারা কাজ করেন, তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করা উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সম্পদ একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। মৎস্য সেক্টরের উন্নয়নে সকলের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন। খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (উপসচিব) জিনাত আরা আহমেদ স্বাগত বক্তৃতা প্রদান করেন।
সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (নীতি ও পরিকল্পনা বিভাগ) আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন। বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম জহীর এবং সহ-সভাপতি এস কে কামরুল আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মূলপ্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য খাতের ওপর ১৯ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ নির্ভরশীল। ইইউ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য এই সাতটি দেশে রপ্তানির উপস্থিতি রয়েছে।
মৎস্য সেক্টরের জিডিপিতে অবদান ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, কৃষিতে অবদান ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ, মোট উৎপাদন ৫০ দশমিক ১৮ লাখ মেট্রিক টন এবং মাথাপিছু মাছ গ্রহণ ২৪ দশমিক ৭৪ কেজি।
মোট উৎপাদন ২৩৫ মিলিয়ন টন, জলজ ১০৩ মিলিয়ন টন, সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ ৯২ মিলিয়ন এবং বাণিজ্যিক ১৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ ১০টি দেশ নিয়ন্ত্রণ করে।
সেমিনারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানিকারক, ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক, মৎস্য সেক্টরের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন