প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পৃথিবীতে জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বায়ুমান স্কোর ৬৮ নিয়ে তালিকার ৩১ নম্বরে অবস্থান করছে।
এই স্কোরকে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যদিকে, পাকিস্তানের লাহোর ১৯৮ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে। লাহোরের বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় পাকিস্তানের লাহোর ১৯৮ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে ভারতের কলকাতা ১৭৮ স্কোর নিয়ে রয়েছে, তৃতীয় স্থানে ভিয়েতনামের হ্যানয় একই স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে, চতুর্থ স্থানে মালয়েশিয়ার কুচিং শহর ১৫৭ স্কোর নিয়ে রয়েছে এবং পঞ্চম স্থানে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার স্কোর ১৩৯।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুর মান শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘অনেক ভালো’ হিসেবে গণ্য হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ স্কোর ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়। ৩০১-এর বেশি স্কোর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে গণ্য হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন