প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন শান্তকে একটি মতবিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। ঘটনার দিন রাত ১০টা থেকে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রধান আসামি মুরাদ আইনজীবী শান্তর সঙ্গে ছিলেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার।
এ ঘটনার পর রবিবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার পিসি ডেমা এলাকা থেকে সদর মডেল থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যৌথ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় প্রধান আসামির কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন শেখ মুরাদ, আবু তাহের দীপ, মো. হাফিজুর রহমান ও মো. শিপন শেখ।
পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেপ্তার চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা, হত্যার উদ্দেশ্য এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিষয়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুলাই গভীর রাতে আদালতের কাজ শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন শান্ত। রাত প্রায় ১টার দিকে বাগেরহাট পৌরসভার হাড়িখালী গ্রামের তেঁতুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তার পথরোধ করে।
পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
মৃত অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন শান্ত (৪২) বাগেরহাট সদর উপজেলার পশ্চিমভাগ এলাকার মৃত তোরাফ হোসেনের ছেলে। তিনি বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির একজন নিয়মিত সদস্য ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন