প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আদালত অধ্যাপক আবুল বারকাতের নামে থাকা দুটি ফ্ল্যাটসহ ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে ২৯ লাখ টাকার গাড়ি এবং ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে এই আদেশ প্রদান করেন।
জব্দকৃত সম্পদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগকৃত আড়াই লাখ টাকা এবং মোহাম্মদপুর ও ধানমণ্ডিতে অবস্থিত দুটি পৃথক ফ্ল্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, তার নামে থাকা ২৯ লাখ টাকার গাড়ি এবং ব্যাংক হিসাবের অর্থও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এদিন আবেদনটি দাখিল করেন। তিনি তার আবেদনে উল্লেখ করেন যে, ড. আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কোম্পানিকে অবৈধভাবে ঋণ প্রদান করে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আবুল বারকাতের নিজ নামে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং তিন কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার টাকা ও ১০ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলারের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, তিনি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদগুলো বিক্রি বা স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন। অভিযোগ নিষ্পত্তির আগে অবৈধ সম্পত্তিগুলো হস্তান্তর, স্থানান্তর বা রূপান্তর/বিক্রি হলে রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতির কারণ হবে। তাই সম্পত্তিগুলো জব্দ ও অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৫ সালের ১০ জুলাই ঢাকার ধানমণ্ডির বাসা থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে দুদকের মামলায় জামিন পাওয়ার পর তাকে ব্যবসায়ী ওয়াদুদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে এই মামলায় জামিনে তিনি মুক্তি পান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন