প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও পেশাগত উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আইওটি ইনোভেশন সামিট ২০২৬’। ‘মেন্টরশিপের মাধ্যমে আইওটি দক্ষতা, উদ্ভাবন ও পেশাগত উন্নয়নের সেতুবন্ধন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আইইইই যবিপ্রবি স্টুডেন্ট শাখার আয়োজনে তিন দিনব্যাপী এ সামিটে আইওটি, প্রকল্প উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, মেন্টরশিপ ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নিয়ে তিনটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে সশরীরে এবং অনলাইনে সামিটের সমাপনী অধিবেশন ‘পরামর্শদান ও ক্যারিয়ার নির্দেশনা’ অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পেশাগত উন্নয়ন, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সমাপনী অধিবেশনে আলোচক হিসেবে ছিলেন আইইইই ইয়াং প্রফেশনালস বাংলাদেশের চেয়ার ইঞ্জিনিয়ার সোহেল রানা, যবিপ্রবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. তারেকুজ্জামান এবং ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক শরীফুজ্জামান।
সামিট আয়োজনে বিশেষ সহযোগিতা করেছে আইইইই ইয়াং প্রফেশনালস বাংলাদেশ, যবিপ্রবি রোবো সোসাইটি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তর। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার ইমরান খান এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসান।
সামিটের ধারাবাহিকতায় গত ২৪ আগস্ট ‘আর্ডুইনোর মৌলিক বিষয় ও প্রকল্প উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রথম অধিবেশন এবং ২৫ আগস্ট ‘ব্লিংক ও থিংস্পিকের মাধ্যমে আইওটি’ শীর্ষক দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম অধিবেশনে সেশন পরিচালনা করেন আইইইই যবিপ্রবি স্টুডেন্ট শাখার চেয়ারপারসন জাহিদুল ইসলাম শান্ত ও সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাকিম। দ্বিতীয় অধিবেশনে আলোচক ছিলেন যবিপ্রবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক জাহেদুল ইসলাম।
অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার ইমরান খান বলেন, বর্তমান যুগে ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) ও মেশিন লার্নিং সম্পর্কে জ্ঞান না থাকলে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারলে গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির নতুন ধারার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং তাঁদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ ধরনের সামিটের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ।
ড. মো. রাফিউল হাসান বলেন, সময়ের সঙ্গে নিজেকে উন্নত ও আধুনিক দক্ষতায় সমৃদ্ধ করতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। সামিটের বিভিন্ন অধিবেশন শিক্ষার্থীদের দক্ষতার ঘাটতি পূরণে সহায়তা করবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শক প্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যেকোনো পরামর্শ ও উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এ সামিটের বিভিন্ন অধিবেশনে যবিপ্রবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। প্রযুক্তির ব্যবহারিক জ্ঞান, আইওটি-ভিত্তিক প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার সম্পর্কে ধারণা অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা নেওয়ার সুযোগ পান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন