প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে র্যাব ঢাকাসহ সারা দেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে র্যাব পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সংস্থাটি সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সংঘবদ্ধ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তৎপর রয়েছে। পাশাপাশি যে কোনো ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র্যাবের সদস্যরা জনসাধারণের জন্য নিরাপদ সমাজ ও দেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।
র্যাব জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সার্বিক ঝুঁকি পর্যালোচনা করে উগ্রবাদী গোষ্ঠী, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন এবং রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কুচক্রী মহল যেন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত জারিকৃত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক নির্দেশনা বাস্তবায়নেও কাজ করছে র্যাব।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ এলাকার নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার এবং আগাম তথ্য সংগ্রহের জন্য এলাকা ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যক্তি (কন্টাক্ট), ইনফর্মার ও সোর্স নিয়োগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ৪ আগস্ট দিবাগত রাতে অনুষ্ঠানস্থল, রোডমার্চ ও পদযাত্রার নির্ধারিত রুট এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
র্যাব নিজস্ব নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করবে এবং স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অনুষ্ঠানস্থলে যাতায়াতের রুটে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
র্যাব আরো জানায়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নাশকতা ও অপতৎপরতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি জেলায় গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের নিরাপত্তায় যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে দিবসটির সাত দিন আগে থেকেই ইউনিফর্মধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার রোধে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ চিহ্নিত ও প্রতিরোধ করা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব ফোর্সেস বদ্ধপরিকর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন