প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রী হরজট সিং বাইসের পদত্যাগের দাবি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে বিজেপি এবং আম আদমি পার্টি।
এরই মধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘটনা ঘটার পর এই রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। রাজধানী দিল্লিতে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে দীর্ঘ এক মাসের আন্দোলনের ফলস্বরূপ ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন।
এই পরিস্থিতিতে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারী প্রশ্ন তুলেছেন যে নৈতিকতার খাতিরে আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল কবে পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করবেন। তিনি জানতে চান, পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রী কবে পদত্যাগ করছেন, এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কোনো দাবি কি আছে?
বিজেপি পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে যে পিএসইবি দ্বাদশ শ্রেণির ইংরেজি বোর্ড পরীক্ষা, পাঞ্জাব স্টেট টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট এবং এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট অফিসার পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। একইসঙ্গে পিএসএসএসবি গ্রুপ-বি এবং কম্বাইন্ড রিক্রুটমেন্ট, নাইব তেহসিলদার ও ফার্মেসি অফিসার নিয়োগ পরীক্ষায় ভুয়া নাম থাকার অভিযোগও তোলা হয়েছে।
এদিকে, পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং গত চার বছরে রাজ্যে ছয়টি বড় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তুলে সরকারের কাছে জবাবদিহিতা দাবি করেছেন।
বিরোধী দলগুলোর এ সকল অভিযোগ আম আদমি পার্টি সম্পূর্ণ ‘ভূয়া খবর’ ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান দৃঢ়তার সাথে জানিয়েছেন যে বিগত সাড়ে চার বছরে পাঞ্জাবে একটিও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেনি।
তিনি নিশ্চিত করেছেন যে ভবিষ্যতে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করার ব্যাপারে তিনি শতভাগ গ্যারান্টি দিচ্ছেন। সমীক্ষা শেষে তিনি জানান, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দুটি চেষ্টা হয়েছিল এবং খবর পাওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আপ নেতা বলতেজ পান্নু আরো বলেন, এক ঘটনায় প্রার্থীরা গ্যাজেট বা ডিভাইস ব্যবহার করে ধরা পড়ার পর তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তবে কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিগত শাসনকালগুলোতে নিজেদের আমলের কেলেঙ্কারি ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের আসল সমস্যা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতেই বিজেপি এবং কংগ্রেস এই ধরনের মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন