প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : যুক্তরাজ্যে জুলাই মাসে জ্বালানি বিলের বৃদ্ধির কারণে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেছে। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ীই মূল্যস্ফীতি বেড়ে চলেছে। সরকারি পরিসংখ্যানে এ তথ্যটি প্রকাশিত হয়েছে।
জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর (ওএনএস) তাদের এক বিবৃতিতে জানায় যে, জুলাই মাস পর্যন্ত ১২ মাসে ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) বৃদ্ধি পেয়েছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ। জুন মাসে এই হার ছিল ২ দশমিক ৬ শতাংশ।
লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানায়।
গত মাসে গৃহস্থালি জ্বালানি বিলের সীমা ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই বৃদ্ধির প্রভাব মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রাথমিক কারণ হিসেবে কাজ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের চলমান যুদ্ধের কারণে এই মূল্যসীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ওএনএস একে ‘প্রায় চার বছরের মধ্যে গ্যাসের দামের সবচেয়ে বড় বৃদ্ধি’ বলে বর্ণনা করেছে।
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম চূড়ান্তভাবে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর চাপ লাঘবের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে তিনি গৃহস্থালির বিদ্যুতের দামে কর কমানো এবং বাসভাড়া নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ ঘোষণা করেছেন।
সর্বশেষ পরিসংখ্যানে অর্থমন্ত্রী জন হিলি বলেন, ‘ইরান যুদ্ধের কারণে মূল্যস্ফীতির প্রভাব এখনো দেশের অভ্যন্তরে দামের ওপর পড়ছে। তবে ব্রিটেনের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আশা ফিরিয়ে আনতে এবং এমন একটি শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলতে আমাদের আরও কাজ করতে হবে, যেখানে ব্রিটেনজুড়ে সমৃদ্ধি আরও ন্যায্যভাবে ভাগ হবে।’
বিশ্লেষকদের ধারণা, বছরের শেষ দিকে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। তাঁদের মতে, বাড়তি জ্বালানি ব্যয়ের প্রভাব আরও বেশি করে বিলের ওপর পড়বে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের অবসানের কোনো চুক্তিরও তেমন লক্ষণ নেই।
মূল্যস্ফীতি দুই শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার অনেক ওপরে চললেও, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড গত মাসে তার মূল সুদের হার ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছে।
কুইল্টার শেভিওটের বিনিয়োগ ব্যবস্থাপক জোনাথন রেমন্ড বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলতে থাকালে অনিশ্চিত যুদ্ধবিরতির মধ্যে মূল্যস্ফীতে নতুন করে উল্লম্ফনের আশঙ্কা করা হয়।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘হরমুজ প্রণালীতে পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিকের অনেক দূরে রয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে এর সমাধানের সম্ভাবনা কম। ফলে অন্তত বছরের বাকি সময়জুড়ে দামের ওপর চাপ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন