প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ের কমিউনিটি অর্গানাইজার (সিও) রেজাওয়ানুল ইসলাম রেজার বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে চাকরির পাশাপাশি ঠিকাদারি কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা এবং এলসিএস (লেবার কন্ট্রাক্টিং সোসাইটি) কর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও করেছেন কয়েকজন কর্মচারী ও স্থানীয়রা।
অফিসের একাধিক কর্মচারী, যারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন যে রেজাওয়ানুল ইসলাম রেজা দীর্ঘ সময় অফিসে অনুপস্থিত থাকলেও হাজিরা খাতায় তার স্বাক্ষর নিয়মিত দেখা যায়। তাদের দাবি, এ কাজে একই কার্যালয়ের জাইকা প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী রিমন হোসেন সহযোগিতা করেন। যদিও এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রেজাওয়ানুল ইসলাম রেজার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গত ১৬ জুন দুপুরে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতা পর্যালোচনা করলে ওই দিনের পাশাপাশি পরদিন ১৭ জুনের তারিখেও রেজাওয়ানুল ইসলামের স্বাক্ষর পাওয়া যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে রেজাওয়ানুল ইসলামকে ফোন করেন। সে সময় তিনি সাতক্ষীরায় অবস্থান করছেন বলে জানান। পরদিন তাকে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হলে তিনি অফিসে উপস্থিত না থাকলেও হাজিরা খাতায় নিজেই স্বাক্ষর করেছেন বলে দাবি করেন।
এলসিএস কর্মীদের কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, ব্যাংক হিসাব খোলার বিভিন্ন অজুহাতে তাদের কাছ থেকে তিন থেকে চার হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বেতন উত্তোলনের সময় অতিরিক্ত অর্থ দাবি এবং চাকরি হারানোর ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে হাজিরা প্রদান বাধ্যতামূলক। অনুপস্থিত অবস্থায় হাজিরা প্রদান বা এ-সংক্রান্ত কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন