প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি মাছের বাজারে কমেছে মাছের দাম।
সরেজমিনে গিয়েও দেখা যায়, শনিবার (৬ জুন) ভোরের আলো ফোটার আগেই আনন্দবাজারের পাইকারি মাছের হাটে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। পাইকার, খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের ভিড়ে সকাল থেকেই প্রাণচাঞ্চল্যে পূর্ণ হয়ে ওঠে জেলার এই গুরুত্বপূর্ণ মাছের বাজার।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও প্রত্যন্ত এলাকার পুকুর, দিঘি এবং জলাশয় থেকে আনা চাষের মাছ এখানে বিক্রির জন্য তোলা হয়। ফলে, এই মাছের বাজারে প্রতিদিনই বড় পরিমাণ মাছের সরবরাহ থাকে। কেবল চাষের মাছই নয়, নদী-নালা, খাল-বিলের মাছও আসে এই পাইকারি বাজারে।
এছাড়া, হিমায়িত ইলিশ, চিংড়ি ও রূপচাঁদা মাছও পাইকারি এবং খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা হয়। আড়তদার মো. জাফর মিয়া জানান, এই বাজার থেকে মাছ কিনে জেলার মেড্ডা বাজার, পীরবাড়ী বাজার, ফারুকী বাজার, বর্ডার বাজার, কাউতলী বাজার, ভাদুঘর বাজার, রাধিকা বাজার ও রামরাইল বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা হয়।
তিনি আরও জানান, বাজারে পাইকারিতে কাতল মাছ প্রতি কেজি ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, সিলভার কার্প ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, গ্রাসকার্প ২২০ থেকে ২৩৫ টাকা, মাঝারি আকারের রুই মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং চাষের কৈ মাছ ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আরেক আড়তদার বদন মিয়া জানান, তীব্র গরমের কারণে অনেক পুকুর ও দিঘিতে মাছ ভেসে উঠছে। ফলে বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়েছে এবং দামও কিছুটা কমেছে।
পাইকার পারভেজ সরকার বলেন, এই বাজার থেকে মাছ কিনে কসবাসসহ বিভিন্ন এলাকার বাজারে বিক্রি করি। বাজারে দামের ওঠানামার ওপর নির্ভর করেই এলাকায় মাছ কেনাবেচা হয়।
খুচরা বিক্রেতা ভূষণ দাস জানান, পাইকারি বাজার থেকে মাছ কিনে খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন। কম দামে কিনতে পারলে কম দামে বিক্রি করা হয়, আর বেশি দামে কিনলে সে অনুযায়ী দাম রাখতে হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন