প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অর্থপাচারকারী যারা বিগত সরকারের ক্ষমতাধর বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত আদালতের মাধ্যমে ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকে ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রতিবেদন প্রকাশের সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিএফআইইউ প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিদেশে সম্পদ গোপন, জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে ৬টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। একইভাবে বিগত সরকারের সময় ক্ষমতার আড়ালে বিদেশে সম্পদ পাচারের অভিযোগে আরও ডজন খানেক হাইপ্রাফাইল ব্যক্তির নামও এসেছে।
পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারে গঠিত তদন্ত কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এসব মামলায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা সম্পদ আদালতের মাধ্যমে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এই অবরুদ্ধ সম্পদের মধ্যে ৫৭ হাজার কোটি টাকা দেশের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে ১৯ হাজার কোটি টাকা রয়েছে। বিএফআইইউ প্রধান ওই প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, ডিসেম্বর নাগাদ এর মধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি আসতে পারে।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ২১টি এমএলএআর পাঠানো হয়েছে এবং ৯টি রেড নোটিশ জারি করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৫ এর ডিসেম্বরের মধ্যে ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে যৌথ তদন্ত দল, যেটি সন্দেহজনক লেনদেনে ৯০% এর বেশি ব্যাংক খাতের।
সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম এভাবে চলতে থাকবে এবং ভবিষ্যতে সম্পদ পাচারকারীদের কোনও পরিচয় দেখা যাবে না বলেও জানান বিএফআইইউ প্রধান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন