প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত চলমান মামলায় নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আদালতের নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাবলো ফেরারি জানিয়েছেন, ২০২০ সালে ম্যারাডোনার মৃত্যুর পেছনে করোনাভাইরাসের প্রভাব ছিল কিনা, তা সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করা সম্ভব নয়।
এই চাঞ্চল্যকর দাবি আর্জেন্টিনার সান ইসিদ্রো আদালতে মামলার শেষ পর্যায়ের সাক্ষ্যগ্রহণের সময় উঠে এসেছে। ফেরারি আদালতে মন্তব্য করেন, ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তের সময় কোভিড-১৯ পরীক্ষা না করাটা ছিল একটি পদ্ধতিগত ভুল।
ফেরারির মতে, “আমরা এটা উড়িয়ে দিতে পারি না যে, তিনি কোভিডে মারা গেছেন।” তিনি আরও বলেন, “করোনাভাইরাস শ্বাসনালির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রোগীর শারীরিক অবস্থার ভয়াবহ অবনতি ঘটিয়ে মৃত্যু ঘটাতে পারে।”
ম্যারাডোনা ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে আর্জেন্টিনার তিগ্রেতে নিজ বাড়িতে মারা যান। মৃত্যুর দুই সপ্তাহ আগে তিনি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন। এতদিন তার মৃত্যুকে হৃদরোগের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ধরা হয়েছিল।
আদালতে ফেরারি আরও দাবি করেন, ম্যারাডোনার মৃত্যুর সময় দীর্ঘ যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন না, “তার যন্ত্রণার সময় কয়েক মিনিটের বেশি হওয়ার কথা নয়।”
এই বিশেষজ্ঞের বক্তব্য ম্যারাডোনার চিকিৎসক লিওপোলদো লুকের দেওয়া প্রতিরক্ষা যুক্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। লুকের দাবি ছিল, ফুসফুসে হঠাৎ তরল জমে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।
ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় লুকসহ সাত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা চলছে। মামলার চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক আগামী ৬ অক্টোবর শুরু হওয়ার কথা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন