প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিফা আসিয়ান কাপ বাংলাদেশের জন্য এক দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছে। তিনটি ম্যাচে ১৩ গোল হজম করেছেন হামজা-জামালরা। তাই আগামী ৫ নভেম্বর ঘরের মাঠে শুরু হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে রক্ষণভাগের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আজ অনুশীলনের আগে ডিফেন্ডার তপু বর্মণ জানিয়েছেন, তারা দলগতভাবে সাফে রক্ষণভাগকে সামলাতে চান। তার বিশ্বাস, প্রতিপক্ষ দল আর গোলবন্যা বইয়ে দিতে পারবে না। রক্ষণভাগ সামলে ঘরের মাঠে সাফ শিরোপা জয়ের স্বপ্নের কথাও বলেছেন তপু।
আসিয়ান কাপে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বলেন, ‘প্রথম ম্যাচে তিন গোল খেয়েছি আর শেষ ম্যাচে খেয়েছি ৯ গোল। এটি খুবই হতাশার। শেষ কবে আমরা ৯ গোল হজম করেছি জানি না। তবে গোল হজমের ক্ষেত্রে শুধু গোলকিপার বা ডিফেন্ডারদের দোষ দেখলে হবে না। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দলগতভাবে রক্ষণ সামলানো। তবে এটা বলতে পারি, সাফে আমরা এত গোল হজম করব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাফ আমাদের জন্য অনেক বিশেষ। আট বছর পর আবার নিজেদের মাঠে খেলছি। আমাদের লড়াই করতে হবে এবং কাঙ্ক্ষিত সাফল্য, অর্থাৎ ২৩ বছর পর শিরোপা জিততে হবে। সে জন্য আমাদের সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।’
সাফের শুরুতে দলের সবচেয়ে বড় তারকা দেওয়ান হামজা চৌধুরীকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। তপু বলেন, ‘হামজা আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন। প্রথম ম্যাচে সে না থাকলে অবশ্যই তাকে মিস করব। তবে আমরা যদি দলগতভাবে খেলতে পারি, তাহলে তার অনুপস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব। প্রথম ম্যাচটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভালো শুরু করতে পারলে পরের পথ সহজ হবে।’
এদিকে বাংলাদেশের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ দলে জায়গা পেয়েছেন প্রবাসী ফুটবলার মাহি খান। এর আগে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে সাফে খেলেছেন এই ফরোয়ার্ড। এবার বাংলাদেশ সিনিয়র দলে জায়গা পেলেন মাহি। এবার হামজা, শমিতদের সঙ্গে একসঙ্গে খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন এই তরুণ। গতকাল মাহি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সাফ একাদশে সুযোগ পেয়ে গোল করে দলকে শিরোপা জেতাতে চান তিনি। মাহি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত। মাত্র ১৮ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো জাতীয় সিনিয়র দলের ক্যাম্পে ডাক পেয়েছি। এতে আমি গর্ববোধ করছি এবং আমার পরিবারের সবাই ভীষণ খুশি। এখন আমাদের কঠোর পরিশ্রম করার সময় এবং ইনশাল্লাহ আমরা সাফ শিরোপাও জিতব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী। এখানে ক্যাম্পে আসার আগেও ব্যক্তিগতভাবে অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি। তাই ইনশাল্লাহ আমি গোল করতে পারব। কোচ আমার কাছে কী প্রত্যাশা করছেন, তা আমি স্পষ্ট জানি। মাঠে কোচের পরিকল্পনা শতভাগ বাস্তবায়নের চেষ্টা করব এবং আশা করি গোল পাব।’
৫ থেকে ১৭ নভেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আসর। ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। ‘বি’ গ্রুপে খেলবে ভারত, পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন