প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মন্ত্রিসভার ১৪তম সভায় বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
আজ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই আইনটির খসড়ায় অনুমোদন প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, আইনটি প্রনয়ণের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোল্লা কুতুবদ-দীন বৈঠকের সারসংক্ষেপে জানান। বৈঠকে আইনটির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বগুড়া ও এর সন্নিহিত এলাকা নিয়ে একটি পরিকল্পিত এবং আধুনিক নগর প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই এলাকার ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা, অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ করা, দুর্যোগ সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, তথ্য প্রযুক্তি এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো, এবং উন্নত নাগরিক জীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’ খসড়ার অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই আইনের মাধ্যমে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন ও তার সংলগ্ন এলাকা নিয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ প্রতিষ্ঠিত হবে, যেখানে চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করবেন। এই কর্তৃপক্ষ গণশুনানি ও প্রাক-প্রকাশসহ বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে মহাপরিকল্পনা থেকে উন্নয়ন প্রকল্প ও স্থানীয় পরিকল্পনার জন্য একটি পর্যায়ভিত্তিক পরিকল্পনা কাঠামো নির্ধারণ করবে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কোনো নির্মাণ বা প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না। নদী, নালা, জলাশয়, খেলার মাঠ এবং উন্মুক্ত স্থান সুরক্ষার জন্য কঠোর পরিবেশগত বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। ভূমি পুনর্বিন্যাস ও ভূমি পুনঃউন্নয়নের মতো আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনার কৌশল প্রবর্তন করা হবে, এবং অননুমোদিত নির্মাণ ও জলাধার ভরাটের জন্য কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হবে। এ আইনে নিজস্ব তহবিল, উন্নয়ন ফি ধার্য্য, ঋণগ্রহণ এবং নিরীক্ষার বিধানও অন্তর্ভুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন