প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে কাজ করছে একদল তরুণ-তরুণীর উদ্যোগে গড়ে ওঠা প্ল্যাটফর্ম ‘স্বপ্নবুনন’। প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম লক্ষ্য হলো নারীদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে বিভিন্ন ধরনের হস্তশিল্পের পণ্য তৈরিতে দক্ষ করে তোলা, যাতে কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরশীলতার পথ তৈরি হয়।
নারীদের বিভিন্ন ধরনের হস্তশিল্পের পণ্য তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এই প্ল্যাটফর্মটির উদ্যোগে। ইতোমধ্যে ৬ জনের অধিক নারীকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। এতে তারা নিজেদের সৃজনশীলতা ও কাজের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে, এসব পণ্য তৈরির অভিজ্ঞতা তাদের ভবিষ্যতে আয়মুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি করছে। নারীদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিক্রয় করা হয় এবং বিক্রিত অর্থ তাদের প্রদান করা হয়। এর ফলে তারা আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়ে উঠছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদের তৈরি পণ্য বৃহৎ পরিসরে বাজারজাতকরণ ও বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে এ ধরনের উদ্যোগ আরও কার্যকর হতে পারে। এতে একদিকে যেমন নারীদের আয়ের পথ তৈরি হবে, অন্যদিকে দেশীয় হস্তশিল্পের বিকাশেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
স্বপ্নবুননের নারী উদ্যোক্তা তাহুরা তুলি জানান, "স্বপ্নবুনন শুধু একটি কমিউনিটি প্রজেক্ট নয়; এটি নারীদের স্বপ্ন, সৃজনশীলতা আর আত্মনির্ভরতার গল্প। প্রতিটি সুতার বুননে যেমন তৈরি হয় নতুন কিছু, তেমনি আমাদের ছোট ছোট প্রচেষ্টা থেকে তৈরি হোক নারীদের স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার নতুন সম্ভাবনা। আমরা বিশ্বাস করি, নারীদের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে তাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।"
আরেক উদ্যেক্তা তুহিন আহমেদ জানান, "আমরা চেষ্টা করছি নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে, যেখানে তাঁরা নিজের হাতের ক্রোশেটের কাজে দক্ষ হয়ে উঠতে পারেন, আর সেই দক্ষতাকেই নিজের আয়ের পথ করে নিতে পারেন। প্ল্যাটফর্মটির সঙ্গে পিছিয়ে পড়া নারীদের নিয়ে কাজ করতে পেরে আমি আনন্দিত।"
নারীদের দক্ষতা, শ্রম ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে তাদের আত্মবিশ্বাসী ও স্বাবলম্বী করে তোলার স্বপ্ন নিয়েই এগিয়ে যেতে চায় ‘স্বপ্নবুনন’। যথাযথ সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও বাজারসংযোগ নিশ্চিত করা গেলে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বেশি নারীর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন