প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য এবছর রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি উত্তরপত্র বা খাতা পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেছেন। এর ফলে শিক্ষা বোর্ডগুলোর আয় ১৫ কোটি টাকারও বেশি হয়েছে।
আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে এইচএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা শুরু হয়। এই প্রক্রিয়া শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ৮টায় শেষ হয়।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে একাধিক বিষয় ও পত্রের পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদন জমা পড়েছে। ফলে মোট আবেদনের সংখ্যা ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি হয়েছে।
এদিকে, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, প্রতিটি পত্র বা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৫০ টাকা ফি নেওয়া হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের মাধ্যমে শিক্ষা বোর্ডগুলো ১৫ কোটি ৫৬ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫০ টাকা আয় করেছে।
আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেছেন, ‘পুনর্নিরীক্ষণের জন্য কিছু টেকনিক্যাল কাজ রয়েছে। বুয়েটের কারিগরি টিম এ কাজে নিয়োজিত থাকে। এতে খরচ হয়। নতুন পরীক্ষক নিয়োগও করতে হয়। তারা বোর্ডে বসে খাতা দেখেন এবং তাদের খাতাপ্রতি ফি পরিশোধ করা হয়। সবমিলিয়ে বড় অঙ্কের টাকা খরচ হয়ে যায়। পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন থেকে বোর্ড মুনাফা করে না।’
এদিকে, পুনর্নিরীক্ষণ আবেদনের শেষ সময়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সার্ভার ডাউন থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের কিছুটা সমস্যা হয়েছে। এই ত্রুটির কারণে অনেক শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারেননি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আবেদনের সময় কিছুটা বাড়ানোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি জানান, ‘আমরা ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা বা সর্বোচ্চ ৫ ঘণ্টা সময় বাড়াতে পারি।’
গত ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। মোট ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় ফেল করেছেন। তাদের মধ্যে ৪ লাখ ২২ হাজার শিক্ষার্থী এক বা দুই বিষয়ে ফেল করেছেন। বিগত ২২ বছরের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন ফল।
অন্যদিকে, এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের ফল আগামী ২৭ নভেম্বর প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন