প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে আগামী ১৬ অক্টোবর ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আবেদন দিল্লি হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছে। তবে, পুলিশের পক্ষ থেকে বিক্ষোভের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস আদালত নথিভুক্ত করেছে।
বৃহস্পতিবার, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নীতিন বাসুদেও সামব্রে এবং বিচারপতি সঞ্জয় শর্মার বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানি করেন। কনট প্লেসের একজন ব্যবসায়ীর করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ওই আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের প্রতি নির্দেশনা চাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
আবেদনকারীর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আদালতে বক্তব্য রাখেন, তিনি বলেন, উৎসবের মৌসুমে মধ্য দিল্লিতে বিক্ষোভের কারণে যদি আরো এক সপ্তাহ দোকানপাট বন্ধ থাকে, তাহলে ব্যবসায়ী ও হকারদের রাস্তায় বসতে হবে।
অন্যদিকে, অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা আদালতকে জানান যে, ককরোচ জনতা পার্টির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আবেদনকারীর উদ্বেগের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস দেন। আদালত পুলিশের এই আশ্বাসকে নথিভুক্ত করে।
আবেদনকারীর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সিজেপির বিক্ষোভ ঠেকাতে সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানালে বেঞ্চ বলেন, ‘জোর করবেন না। আমরা আদেশ দিয়েছি।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে জরুরি ভিত্তিতে আবেদনটির শুনানি করতে সম্মত হন আদালত। তখন আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, কনট প্লেসের কেন্দ্রীয় সেন্ট্রাল পার্কে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলেও তাদের আশঙ্কা প্রকাশ করেন। দশেরার ছুটির সপ্তাহের শেষে এ ধরনের কর্মসূচির কারণে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলেও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ শুক্রবার দিল্লির বাণিজ্যিক কেন্দ্র কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা হাতে ‘দেশপ্রেমিকদের’ সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, দলের সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর কারণে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশ এবং শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা ভঙ্গের অভিযোগে বুধবার সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। পরে তাদের তিহার কারাগারে নেওয়া হয়। যন্তর মন্তরকে ইতোমধ্যে বিক্ষোভস্থলের স্বীকৃতি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
চলতি বছরের জুন-জুলাই থেকে মধ্য দিল্লিতে বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধী দল, ছাত্র সংগঠন ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা বড় আকারের বিক্ষোভ করে আসছেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে।
সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন