প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি ট্রান্সফরমারের মালিকানা নিয়ে বিরোধের কারণে পুলিশ সেটি উদ্ধার করেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) শহরের মুন্সিপাড়া এলাকার একটি রেলওয়ে কোয়ার্টারে অভিযান পরিচালনা করে ট্রান্সফরমারটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মালিকানা নিয়ে পরস্পরবিরোধী দাবি থাকায় আপাতত ট্রান্সফরমারটি থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পর প্রকৃত মালিকের কাছে এটি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ট্রান্সফরমারটি উদ্ধারের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন শাহীন পারভেজ। তাঁর অভিযোগ, স্বামী পারভেজ আলমের মৃত্যুর পর তাঁদের মালিকানাধীন কাঠি কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রম অংশীদারদের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। পরে ব্যবসার দায়িত্বে থাকা শাহীন পারভেজ ব্যবসায়িক পরিস্থিতির অবনতির কারণে কোম্পানির একটি ট্রান্সফরমার বিক্রি করেন। কিন্তু পরবর্তীতে সেটি মুন্সিপাড়ার একটি রেলওয়ে কোয়ার্টারে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এই অভিযোগের পর পুলিশ কোয়ার্টারটিতে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে ট্রান্সফরমারটি উদ্ধার করে সৈয়দপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই রেলওয়ে কোয়ার্টারটি সাজু খানের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে ট্রান্সফরমারটির মালিকানা নিয়ে তাঁদের পক্ষ থেকেও দাবি রয়েছে।
সাজু খানের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ যে ট্রান্সফরমারটি উদ্ধার করেছে সেটি তাঁরই। তিনি জানান, কয়েকদিন আগে তাঁর ট্রান্সফরমারটি চুরি হয়েছিল। পরে লোকজনের মাধ্যমে তারাগঞ্জ এলাকা থেকে সেটি উদ্ধার করে সৈয়দপুরে নিয়ে আসেন তিনি। তবে পুলিশ সেটি থানায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
সৈয়দপুর থানার ওসি মো. রেজাউল করিম রেজা বলেন, ট্রান্সফরমারটির বিষয়ে উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ করেছে। তাঁদের সঙ্গে বসে কাগজপত্র যাচাই করা হবে। যাচাইয়ে বৈধ কাগজপত্র যার অনুকূলে পাওয়া যাবে, ট্রান্সফরমারটি তাঁর কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন