প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ সালে রাশিয়ায় খাদ্যশস্য ও তৈলবীজের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই তথ্যটি রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি পাত্রুশেভের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়েছে, যা কৃষি রফতানি সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর জানানো হয়।
উপ-প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি পাত্রুশেভ জানান, চলতি বছরের ফসল কাটার কাজ বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এখন পর্যন্ত সংগৃহীত শস্য ও তৈলবীজের পরিমাণ গত বছরের মোট উৎপাদনের রেকর্ডকে অতিক্রম করেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাম্পার ফলনের কারণে বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহজনিত কোনো সংকট সৃষ্টি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্যের জোগান স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়মিত রফতানি বজায় রাখতে লজিস্টিক সুবিধা ও পরিবহন ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
রফতানি বাড়াতে বিশেষ অর্থনৈতিক পদক্ষেপ
কৃষি পণ্যের রফতানি ও পরিবহন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত না হওয়ার জন্য রুশ সরকার বেশ কিছু আর্থিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে:
রেল পরিবহনে ভর্তুকি: যেসব অঞ্চল থেকে বেশি ফসল উৎপাদিত হয়, সেখান থেকে পণ্য দ্রুত পরিবহনের লক্ষ্যে রেল পরিবহন ভর্তুকি বাবদ প্রায় ১০ বিলিয়ন রুবেল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
শুল্ক মওকুফ: চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত খাদ্যশস্য রফতানির ওপর থেকে সমস্ত প্রকার রফতানি শুল্ক স্থগিত বা মওকুফ করা হয়েছে।
ভোজ্যতেলের ওপর শুল্ক নিয়ন্ত্রণ: ভোজ্যতেল এবং ভোজ্যতেলের উপজাত (মিল) রফতানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শুল্কের হার ২০২৬ সালের আগস্ট মাসের নির্দিষ্ট মাত্রায় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
পরিবহন অবকাঠামোর কার্যকর ব্যবহার ও সমন্বয় নিশ্চিত করতে রাশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়কে যৌথভাবে কাজ করার নিৰ্দেশ দিয়েছেন উপ-প্রধানমন্ত্রী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন