প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে থাকার সময় হোসে মরিনহোকে কত রাত ঘুম হারাম করতে হয়েছে লিওনেল মেসিকে সামলাতে, তার কোনো হিসাব নেই। এই পর্তুগিজ ‘স্পেশাল ওয়ান’ মেসির জাদুকরী ড্রিবলিং এবং ক্ষুরধার আক্রমণ ভেস্তে দিতে বিশেষ পরিকল্পনা তৈরি করতেন।
বহু যুদ্ধের সেই পরিচিত প্রতিপক্ষ যখন আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান, তখন শত্রুতার দেওয়াল গলে বেরিয়ে আসে নিখাদ শ্রদ্ধা।
সম্প্রতি সান্তিয়াগো বার্নাবেউয়ের হটসিটে ফিরে আসা মরিনিওকেও মেসির বিদায়ে তৈরি হওয়া শূন্যতা স্পর্শ করেছে। আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই মহাতারকার আন্তর্জাতিক অবসরের ঘোষণা তার হৃদয়কে নাড়িয়ে দিয়েছে।
গত সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান মেসি।
অবসরের বার্তায় আবেগপ্রবণ হয়ে আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক লেখেন, ‘ফাইনালে খেলার পর এতগুলো দিন কেটে যাওয়ার পর এবং দীর্ঘ চিন্তাভাবনার পর, আমি সবাইকে জানাতে চাই যে আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
বিদায়বেলায় নিজের ভেতরের আবেগ ধরে রাখতে না পেরে দেশের ভক্তদের উদ্দেশে মেসি আরও লেখেন, ‘এটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক একটি সিদ্ধান্ত ছিল এবং এখনও আমার হৃদয়ের গভীরে আঘাত করছে। তবে আমি অনুধাবন করতে পারছি যে উপযুক্ত সময় এসে গেছে। আমি আপনাদের কসম খেয়ে বলছি, আমি সবসময় আমার সর্বস্ব দিয়ে খেলেছি।
কেবল সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নয়, যখন আমরা সবকিছু জিতেছি, বরং তার আগের দিনগুলোতেও। আমি সবসময় লড়াই করেছি এবং এই জার্সিটার জন্য আমার সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি, যাতে ফুটবলের মাধ্যমে আপনাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারি এবং একজন আর্জেন্টাইন হিসেবে গর্বিত অনুভব করাতে পারি।’
মহাকাব্যিক ক্যারিয়ারের এই শেষ পাতায় প্রতিক্রিয়া জানাতে দেরি করেননি মরিনিও। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়ালের কোচ হলেও মেসির বিদায় মেনে নিতে তার কষ্ট হচ্ছে। মেসির সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে পর্তুগিজ মাস্টারমাইন্ড লেখেন, ‘চমৎকার ও অবিস্মরণীয় আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য অভিনন্দন।
তোমার অনুপস্থিতিতে পরের কোপা আমেরিকা ও পরের বিশ্বকাপ আগের মতো একই রকম থাকবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন