প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কঙ্গনা রনৌতের মতে, বর্তমানে চিকিৎসকদের পোশাকের ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাধীনতা রয়েছে। যদিও নার্সদের এখনও একটি নির্দিষ্ট ও ঐতিহ্যবাহী ইউনিফর্ম পরতে হয়।
তিনি ভারতের 'ভারত ভাগ্য বিধাতা' ছবিতে নার্সের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যা ২৬/১১-র প্রেক্ষাপটে তৈরি। সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে ছবির বিষয় এবং নার্সদের পেশা নিয়ে কঙ্গনা নানা বিষয় আলোচনা করেন। নার্সদের পোশাকে একটি পরিবর্তন আনার কথা বলেন তিনি।
কঙ্গনার মতে, চিকিৎসকদের পোশাকের ক্ষেত্রে এখন অনেক বেশি স্বাধীনতা আছে। কিন্তু নার্সদের জন্য এখনও ঐতিহ্যবাহী একটি নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পালন করতে হয়। কঙ্গনা বলেন, “আমার মনে হয় ব্রিটিশ আমলের নার্সদের ‘ড্রেস কোড’ এখনও চালু রয়েছে। আমাদের চিকিৎসকেরা নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে থেকে নিজেদের পছন্দমতো পোশাক পরতে পারেন। কিন্তু নার্সদের ক্ষেত্রে গরম হোক বা শীত, এখনও একই ধরনের বিদেশি ধাঁচের ইউনিফর্ম দেখা যায়। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। তবে এই সিনেমাতে আমরা সততা ও মর্যাদার সঙ্গে কাজ করেছি। শরীরের গঠন বা আকার গুরুত্বপূর্ণ নয়, আপনার ইউনিফর্মই আপনার কর্তব্যের প্রতীক।”
কঙ্গনা তার বক্তৃতায় নার্সদের পোশাকের আরও একটি দিক সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, “আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়েছে এই পোশাক খুবই ব্রিটিশ ধাঁচের। ইউনিফর্মের সঙ্গে পিন, ক্যাপ বা বেল্ট ব্যবহার করার বিষয়টি মার্কিন নৌবাহিনীর প্রভাব থেকে এসেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যেমন ছিল, এখনও অনেকটাই তেমনই রয়েছে।” তবে কঙ্গনার মতে, যদি ভবিষ্যতে নার্সদের ইউনিফর্মে পরিবর্তন আসে, তবে তা নার্সদের প্রয়োজন ও মতামতের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “ভবিষ্যতে যদি নার্সদের নিজস্ব পছন্দ ও প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই ইউনিফর্মে ভারতীয় ছোঁয়া আনা যায়, তা খুবই ইতিবাচক পরিবর্তন হবে।”
কঙ্গনা পোশাকের পাশাপাশি নার্সদের কাজের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন। তাঁর মতে, নার্সিং পেশাকে অনেক সময় 'যৌনতার' সঙ্গে যুক্ত করে নানা মন্তব্য করা হয়। অভিনেত্রী বলেন, “মানুষের যে ধারণা ও মনোভাব রয়েছে, সেখানে পরিবর্তন আসা উচিত। আমার মনে হয় নার্সিং এমন একটি পেশা, যেটিকে সবচেয়ে বেশি যৌনতার দৃষ্টিতে দেখা হয়।”
তিনি আরও যোগ করেন, “হাসপাতালের কথা ভাবলেই আমরা স্বাভাবিক ভাবেই চিকিৎসকদের কথা ভাবি। তাঁদের অবদান অপরিসীম ঠিকই। কিন্তু যে লক্ষ লক্ষ কর্মী প্রতিদিন এই পুরো ব্যবস্থাকে সচল রাখেন, তাঁদের কথাও আমাদের ভাবা উচিত।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন