প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মহাকাশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে মাঝ আকাশেই বিস্ফোরিত হয়েছে চীনের একটি নভোযান।
সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সময়ানুযায়ী রকেটটি উৎক্ষেপণের মাত্র ৮৫ সেকেন্ডের মাথায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ২ মিনিটে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হেইনানের ওয়েনচ্যাং স্পেস লঞ্চ সেন্টার থেকে ‘লংমার্চ সেভেন-এ’ নামের রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। রকেটটিতে ‘ঝোংজিং ফোর-বি’ নামের একটি যোগাযোগ উপগ্রহ (কমিউনিকেশনস স্যাটেলাইট) ছিল, যা পৃথিবীর নির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপন করাই ছিল এ মিশনের মূল উদ্দেশ্য।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ‘উড্ডয়নগত ত্রুটি’ বা যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে নভোযানটি বিস্ফোরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে দেশটির সংশ্লিষ্ট সংস্থা ইতিমধ্যেই পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে বিস্ফোরণের একটি ভিডিও চিত্র প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, নৈশ আকাশে হঠাৎ বিশাল একটি অগ্নিগোলক তৈরি হয় এবং উপস্থিত দর্শনার্থীরা তা প্রত্যক্ষ করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অন্য ভিডিও তথ্য অনুযায়ী, আকাশে ওঠার ঠিক ৮৫ সেকেন্ডের মাথায় রকেটটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তিতে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে বেইজিং। দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রায়ই এ কর্মসূচিকে চীনের ‘মহাকাশ স্বপ্ন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন। চলতি বছরের জুলাই মাসেই দেশটি প্রথমবারের মতো একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেটের সফল অবতরণ ঘটায়, যা ছিল আন্তর্জাতিক মহাকাশ প্রতিযোগিতায় উৎক্ষেপণ খরচ কমানোর এক বড় অর্জন।
উল্লেখ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে মানববাহী নভোযান পাঠানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে চীন। এই একই লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসাও তাদের ‘আর্টেমিস’ কর্মসূচি নিয়ে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন