প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা বর্তমানে বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। আজ রোববার সকালে রাজধানীর বায়ুমান সূচক (একিউআই) ১৭১-এ পৌঁছেছে, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নগরবাসীকে, বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টে ভোগা ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকার একিউআই স্কোর ছিল ১৭১। এ সময় বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে ছিল মালয়েশিয়ার কুচিং, যার স্কোর ছিল ২১০। দ্বিতীয় স্থানে ভারতের মুম্বাই (১৯১), তৃতীয় স্থানে পাকিস্তানের লাহোর (১৮০) এবং চতুর্থ স্থানে ভারতের কলকাতা (১৭৮) অবস্থান করছে।
একিউআই স্কোরের ভিত্তিতে বাতাসের দূষণের মাত্রা এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি নির্ধারণ করা হয়। আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ০ থেকে ৫০ হলে বায়ুমান ‘ভালো’, ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি’ এবং ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ বা তার বেশি হলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
বায়ুদূষণের ফলে চোখ ও গলায় জ্বালাপোড়া, কাশি এবং শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘকাল ধরে দূষিত বাতাসে শ্বাস নেওয়া হৃদ্যন্ত্র এবং ফুসফুসের রোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি করে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী এবং হৃদ্রোগ বা ফুসফুসের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিরা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
যখন বায়ুমান সূচক ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকে, তখন বাইরে শরীরচর্চা ও অতিরিক্ত পরিশ্রম এড়িয়ে চলা, প্রয়োজন ছাড়া দীর্ঘ সময় বাইরে না থাকা এবং বাইরে গেলে উপযুক্ত দূষণরোধী মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেয় আইকিউএয়ার। দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে শিশু, বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
ঢাকায় বায়ুদূষণের প্রধান উৎস হিসেবে যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটা, নির্মাণকাজের ধুলা এবং বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি পোড়ানোর বিষয়গুলো বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি বৃদ্ধি এবং আবহাওয়াগত কারণে দূষিত বায়ু ছড়িয়ে পড়তে না পারায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন