প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের মধ্যে পুলিশ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি আন্দোলনকারী গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৭ জন মারা গেছেন এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন বলে সোমবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের দাবিতে সক্রিয় সরকারবিরোধী সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি) সমর্থকরা সম্প্রতি তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তবে কয়েকদিন আগেই স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই গোষ্ঠীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ করে।
রাওয়ালকোট শহরের বেসামরিক কমিশনার সরদার ওয়াহিদ বলেছেন, সর্বশেষ সংঘর্ষে ৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে এবং ৪০ জন আহত হয়েছে। পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংঘর্ষের ফলে ৪ জন পুলিশ সদস্য নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়।
এদিকে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেএএসির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ইতোমধ্যে সিল করে দেওয়া হয়েছে এবং পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের বৃহত্তম শহর মুজাফফারাবাদে বড় একটি সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।
এএফপি’র একজন সাংবাদিক জানিয়েছেন, পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের মুজাফফারাবাদে সোমবার বাজারগুলো খোলা ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শহরে টহল দিচ্ছিল। সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও লকডাউনের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দারা আগে থেকেই দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মজুত করতে ভিড় করেছেন।
আন্দোলনকারী সংগঠন জেএএসি তাদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করাকে ‘দমননীতি’ বলেছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা বৈধ অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত সপ্তাহান্তে ৭০ জনেরও বেশি জেএএসি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে, গত সেপ্টেম্বরে জেএসি-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েক দিনের সহিংস সংঘর্ষের ফলে এই অঞ্চলে নয়জন নিহত হয়। কাশ্মীর অঞ্চলটি দীর্ঘকাল ধরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিতর্কিত। দুই দেশই পুরো অঞ্চলটির ওপর নিজেদের মালিকানা দাবি করে আসছে, তবে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতার পর এটি তাদের মধ্যে বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন