প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের কারণে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন নাটোরের ৮ জন এবং বগুড়ার ১ জনসহ মোট ৯ জন পরীক্ষার্থী।
ফরম পূরণের টাকা আত্মসাৎ ও কারিগরি ভুলের কারণে গতকাল অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারা শিক্ষার্থীরা আগামীকাল শনিবার থেকে নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন।
এদিকে, নাটোরের লালপুরে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
আজ শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী ফরম পূরণের জন্য টাকা জমা দেওয়ার পরও গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম দিনের বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। অমিত কুমার সরকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিলেও তা বোর্ডে জমা না দেওয়ার কারণে তাদের প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি। সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরপরই বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আসে।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন তাৎক্ষণিকভাবে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলে বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
মন্ত্রী’র নির্দেশে আজ শুক্রবার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ওই ৮ শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। ফলে আগামীকাল শনিবার থেকে তারা নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরবর্তী সকল পরীক্ষায় অংশ নিতে সক্ষম হবেন। মন্ত্রী বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে শিক্ষামন্ত্রী নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক এবং লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। মন্ত্রীর নির্দেশনার পর পুলিশ অভিযুক্ত অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে লালপুর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য আব্দুলপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণের টাকা পরিশোধ করেও কলেজ কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুলের কারণে গতকাল পরীক্ষা দিতে না পারা আরেকজন শিক্ষার্থীর অভিযোগ শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পৌঁছায়। শিক্ষামন্ত্রী তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে ফোনে কথা বলে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। মন্ত্রীর নির্দেশে আজ ওই শিক্ষার্থীরও ফরম পূরণ সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনিও আগামীকাল থেকে নিয়মিতভাবে পরীক্ষায় বসছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন