প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জামায়াত এমপি বলেছেন, গ্যাসের অভাবে শিল্পোৎপাদন ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ কমেছে।ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন জাতীয় সংসদে উল্লেখ করেছেন যে, তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে আবাসিক ও শিল্প খাতের উৎপাদন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন, গ্যাস সরবরাহ করতে না পারলে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিল নেওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে শিল্পাঞ্চলের গ্যাস প্রবাহ স্বাভাবিক করার জন্য জোর দাবি জানান।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে তিনি এই দাবি তুলে ধরেন।জামায়াতের এই সংসদ সদস্য তার নির্বাচনি এলাকার সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমার ঢাকা-৪ আসনের শ্যামপুর, কদমতলী ও যাত্রাবাড়ী এলাকা নিয়ে গঠিত ৯টি ওয়ার্ডে তীব্র গ্যাস সংকট চলছে। দিন দিন এই সংকট আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। অবস্থা এমন দাঁড়াতে পারে, ওই এলাকার শিল্পাঞ্চলগুলো বন্ধের পথে চলে যাবে এবং বেকারত্ব বৃদ্ধি পাবে।’শিল্প ও আবাসিক খাতের করুণ চিত্র তুলে ধরে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আমাদের এলাকার ৮০ শতাংশ আবাসিক এলাকায় গ্যাস নেই। এছাড়া শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলের মালিকরা আমাকে তথ্য দিয়েছেন, গ্যাসের অভাবে তাদের উৎপাদন ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাত্র ৩০ শতাংশ উৎপাদন নিয়ে তাদের চলতে হচ্ছে।’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, সরকারের মূল লক্ষ্য যেখানে বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, সেখানে এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে বেকারত্ব আরও বাড়বে।বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘ঢাকা-৪ অঞ্চলে আবাসিক ও শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক করতে হবে। একই সঙ্গে ঠিক কী কারণে গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে না এবং কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তা জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে।’সরকারের প্রতি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব রেখে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘যে কয়দিন আমরা গ্রাহকদের গ্যাস দিতে পারব না, সে কয়দিন যেন তাদের কাছ থেকে বিল না নেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে গ্রাহকদের বিল পরিশোধ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয়কে যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন