প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারত সীমান্তের সাথে সংযুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করার কাজ করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সম্ভাব্য পুশইন, মাদক পাচার এবং চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য সীমান্তজুড়ে বাড়তি টহল এবং নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
আখাউড়া, কসবা এবং বিজয়নগর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) ও সরাইল ব্যাটালিয়নের (২৫ বিজিবি) সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। সীমান্তপথে কোন ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক কিংবা চোরাচালানি পণ্য যাতে দেশে প্রবেশ না করতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল কার্যক্রম আরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধির ওপর নজরদারি করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও পাওয়া যাচ্ছে।
সরাইল ব্যাটালিয়নের (২৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, দেশের বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য পুশইন নিয়ে উদ্বেগ দেখিয়ে সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত টহল ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সীমান্তে যেকোনো অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। মাদক ও চোরাচালান রোধের জন্য আমরা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। প্রতিটি ক্যাম্পের সদস্যরা দিন ও রাতের বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস. এম. শরিফুল ইসলাম বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। সীমান্তের মাধ্যমে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব এবং সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে বিজিবি সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।
বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে নজরদারি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন