প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যুদ্ধে জড়িত প্রায় ৫০,০০০ সৈন্যকে তিনি ততক্ষণ পর্যন্ত প্রত্যাহার করার পরিকল্পনা করছেন না, যতক্ষণ না দেশটিতে এই অভিযানের একটি সমাপ্তি ঘটছে।
শুক্রবার (৫ জুন) রেকর্ড করা এবং রোববার প্রকাশিত ‘মিট দ্য প্রেস’-এ এক বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি (সেনারা) বিপদে আছে বলে মনে করি না। আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এ যাবৎকালের সেরা। আমাদের আক্রমণভাগও এ যাবৎকালের সেরা। তাই আমি এটিকে বিপদ বলে মনে করি না।’
আমি বলব এমনটা করাটা বোকামি হবে, কারণ হয়তো এমন হতে পারে যে, তাদের ব্যবহার করাটা প্রয়োজন হতে পারে। ট্রাম্প যোগ করেন।
সাক্ষাৎকারের সময় ট্রাম্প ইরান অভিযানে হতাহতের সংখ্যাকে ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেন, যে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ৫৮,০০০-এরও বেশি সৈন্য হারিয়েছিল।
‘আমরা এখানে ১৩ জনকে হারিয়েছি এবং এটা অনেক। তেরো জন, অনেক বেশি,’ ট্রাম্প বলেন। ‘কিন্তু, আপনি যদি ভিয়েতনামের দিকে তাকান, যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত হয়েছিল, যদি আপনি গত সাত-আটটি যুদ্ধের যেকোনো একটির দিকে তাকান যেখানে বহু মানুষ নিহত হয়েছিল, আমরা হারিয়েছি ১৩ জন এবং আবারও বলছি, ১৩ জনও অনেক বেশি। আমি কাউকে হারাতে চাই না। কিন্তু ১৩ সংখ্যাটি তার চেয়ে কম, যা কেউ কখনো কল্পনাও করেনি।’ ট্রাম্প বলেন।
‘আমার মনে হয় আমরা ইরান যুদ্ধে খুব ভালো করছি,’ তিনি আরও বলেন।
এই সংঘাতের কারণে ১৩ জন মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। ১ মার্চ কুয়েতের শুয়াইবা বন্দরে ইরানের হামলায় ছয়জন সেনা সদস্য নিহত হন। ৮ মার্চ সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় একজন সেনা সদস্য মারা যান এবং ১২ মার্চ পশ্চিম ইরাকে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি কেসি-১৩৫ স্ট্রাটোট্যাঙ্কার জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিধ্বস্ত হলে ছয়জন সেনা সদস্য নিহত হন।
সূত্র: সিএনএন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন