প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণী ধর্ষণ মামলায় আদালত একজনকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি প্রদান করেছেন। একই সঙ্গে, তিনজনের উল্টো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং চারজনকে খালাসও প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এই রায় ঘোষণা করেন আদালতের বিচারক।
আদালত সূত্রে প্রকাশ পায়, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে উক্ত নির্যাতনের শিকার তরুণী, তার স্বামী, তদন্ত কর্মকর্তা, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, এমসি কলেজের একজন শিক্ষক এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকও ছিলেন।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শাহপরান মাজার এলাকা থেকে ফেরার পথে এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে কয়েকজন যুবক তাদেরকে কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। সেখানে তারা স্বামীকে আটকে রেখে গাড়ির ভেতরে তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। একই সঙ্গে দম্পতির কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার এবং গাড়ি আটকে রাখার অভিযোগও উঠেছিল।
ঘটনার রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে আরো দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত হয়। গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলাটিও এই মামলার সঙ্গেই একত্রে বিচার করা হচ্ছে।
এদিকে ঘটনার পর আত্মগোপনে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র্যাবের অভিযান চালিয়ে আট আসামিকেই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তদন্ত চলাকালে বেশ কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়ার বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন। এর পর অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে পৌঁছায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন