প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গায়ানার উপকূলে একটি ফেরি ডুবে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এতে ৮৩ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় দক্ষিণ আমেরিকার ছোট দেশ গায়ানা শোকের ছায়ায় রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মার্ক ফিলিপস সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে জানান, শনিবার রাতে এমভি বারিমা ফেরিটি উল্টে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৬৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, ৮৩ জন এখনও নিখোঁজ আছেন।
জর্জটাউন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানায়।
ফিলিপস বলেন, ‘এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য মানুষকে খুঁজে বের করা।’
এর আগে, তিনি মৃতের সংখ্যা ১০ জন বলেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি তা বাড়িয়ে ২৭ জন উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, ‘আমরা এখনও আশা ছাড়িনি।’
পুরোনো ফেরিটি রাজধানী জর্জটাউন থেকে গায়ানার অভ্যন্তরীণ এসেকিবো অঞ্চলের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল, পথে এটি উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার পর আরোহীর সংখ্যা নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর করে ফিলিপস বলেন, এখন তিনি ‘নিশ্চিত’ যে ফেরিটিতে মোট ১৭৯ জন ছিলেন।
এর আগে, গণপূর্তমন্ত্রী হুয়ান এজহিল জানিয়েছিলেন, ফেরিটির যাত্রী তালিকায় ১৩৩ জনের নাম থাকলেও সেটি সঠিক ছিল না।
উদ্ধার অভিযানে স্থানীয় জেলেরাও সম্পৃক্ত হয়েছেন।
প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য প্রতিবেশী ফরাসি গায়ানা থেকে ১২ জন ডুবুরি, দুইজন চিকিৎসক ও একজন যন্ত্রপ্রকৌশলী পাঠানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ফিলিপস রোববার সাংবাদিকদের অবহিত করছিলেন যে, দুর্ঘটনার পর ফেরিটির দুই নাবিকের মারিজুয়ানা পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। এই ঘটনায় তদন্তও চলমান রয়েছে।
গণপূর্তমন্ত্রী এজহিল পূর্বে বলেছিলেন, ফেরিটি বিকেলের মাঝামাঝি সময়ে যাত্রা শুরু করেছিল। প্রায় আট ঘণ্টা পর বিপদসংকেত পাওয়া যায়।
জাহাজ চলাচল বিষয়ক ওয়েবসাইট ভেসেলফাইন্ডারের তথ্য অনুযায়ী, ফেরিটি ১৯৩৯ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন