প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লিওনেল মেসি প্রথমবারের মত প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণের জন্য স্পেন সফরে যাচ্ছেন। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, যা স্পেনের রাজপরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়, ক্রীড়া বিভাগে ২০২৬ সালের বিজয়ী আর্জেন্টাইন মহাতারকার জন্য। আগামী ২৩ অক্টোবর, স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফেলিপে ও রানী লেতিসিয়ার উপস্থিতিতে তিনি ওভিয়েদোর তেয়াত্রো কাম্পোয়ামোরে এই পুরস্কার গ্রহণ করবেন। এটি এককভাবে কোনো ফুটবলার হিসেবে প্রথমবারের মত দেওয়া হচ্ছে।
লিওনেল মেসির অর্জনের তালিকা বিশ্বকাপ জয়, আটটি ব্যালন ডি'অর এবং বিভিন্ন শিরোপা নিয়ে গঠিত। এবার নতুন একটি পালক যুক্ত হতে যাচ্ছে তার এই তালিকায়। তিনি স্পেনের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি 'প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড' ২০২৬ সালের ক্রীড়া বিভাগে অর্জন করেছেন।
১৯৮১ সালে এই পুরস্কারের যাত্রা শুরু হয়। বিজ্ঞান, সাহিত্য, শিল্পকলা, সামাজিক বিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং খেলাধুলা—মোট আটটি বিভাগে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মানিত করে প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ফাউন্ডেশন। পুরস্কারের সঙ্গে রয়েছে হুয়ান মিরোর নকশা করা ভাস্কর্য, সনদ, ব্যাজ এবং ৫০ হাজার ইউরো অর্থমূল্য।
গত ৩ জুন, স্পেনের ওভিয়েদোতে জুরির আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় মেসিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তার ধারাবাহিকতা, বিনয় এবং অর্জনের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় তার দাতব্য কাজও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২৭ জন মনোনীতের মধ্যে মেসিকেই বেছে নেয় প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ফাউন্ডেশন।
এর আগে সেরেনা উইলিয়ামস এবং রাফায়েল নাদালের মত তারকারা এই পুরস্কার পেয়েছেন। তবে ফুটবলে এই পুরস্কার এসেছে তিনবার। ২০০২ সালে দলগতভাবে বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিল এবং ২০১০ সালে স্পেন এই পুরস্কার লাভ করে। এছাড়া ২০১২ সালে যৌথভাবে দুই স্প্যানিশ ফুটবলার ইকার ক্যাসিয়াস ও জাবি হার্নান্দেজ এই স্বীকৃতি পান। ফলে, মেসি প্রথমবারের মত এককভাবে এই পুরস্কার গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন