প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিউলি আজিম, যিনি মাকে হারিয়েছেন, তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য সতীর্থরা পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। ছবি: মীর ফরিদ, গোয়া থেকে।
বাস্তবতা সত্যিই নির্মম এক আয়না। এটি মোটেও কারো ইচ্ছেমতো চলে না।
শিউলি আজিম যেন পারলেন না। তার মায়ের শেষ বিদায়ে তিনি যেমন পাশে থাকতে পারলেন না, ঠিক তেমনিভাবে ১৮ কোটি জনসংখ্যার প্রত্যাশার ভার যে তার কাঁধে।
সুতরাং, গতকাল মায়ের মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর বুকে শোকের পাথর চেপে বাংলাদেশ দলের সঙ্গেই গোয়াতে থেকে গেলেন শিউলি।
আজ জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনাল। ডিফেন্ডারের ত্যাগ সতীর্থরা বিফলে যেতে দেননি।
যোগ করা সময়ে সাগরিকার গোল, নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ।
শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে বাংলাদেশ নেপালের বিপক্ষে ম্যাচটি জয় করেছে। সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষকে ২-১ গোলে হারিয়ে মারিয়া মান্দা-ঋতুপর্ণা চাকমারা টানা তৃতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
ফাইনালে ওঠার ম্যাচে শিউলির মাঠে নামার সুযোগ হয়নি। তিনি বেঞ্চে বসে জয় উদযাপন করেছেন।
এমন আনন্দের মুহূর্তে শিউলির মাকে বাংলাদেশর ফুটবলাররা ভুলে যাননি। ম্যাচ শেষে সতীর্থর মাকে জয় উৎসর্গ করেছেন ঋতুপর্ণা-আফঈদা খন্দকাররা। অলিম্পিক গোল ও দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরা হওয়া ঋতুপর্ণা ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘এই ম্যাচটি আমরা আমাদের টিমমেট শিউলি দিদির মাকে উৎসর্গ করেছি।
পাশাপাশি দেশের সব মানুষকে এটি উৎসর্গ করছি।’
সেমিফাইনালের শুরুতেই বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছিল। ২২ মিনিটে কর্নার থেকে নেপাল এগিয়ে যায়। বিরতিতে যাওয়ার আগে অলিম্পিক গোলে (কর্নার কিক থেকে সরাসরি গোল) ঋতুপর্ণা দলকে সমতায় ফেরান। পরে যোগ করা সময়ে মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে বিজয়োল্লাস করে বাংলাদেশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন