প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক এবং মহানগর দক্ষিণের সদস্য বিল্লাল হোসেন তালুকদারের (৫৭) হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে যুবদল নেতা দিদারুল ইসলাম বাবুকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া, একইসাথে রমনা থানার যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি (দফতরের দায়িত্বে) নুরুল ইসলামের সই করা একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জনমানুষের সামনে আসে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং রমনা থানার যুবদলের আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি, রমনা থানার যুবদল কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন, আজ এই সিদ্ধান্তটি অনুমোদন করেছেন, বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে, রাত ৮টার দিকে রাজধানীর মৌচাক এলাকায় সালিশি বৈঠকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক এবং মহানগর দক্ষিণের সদস্য বিল্লাল হোসেন তালুকদারের নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠে।
বিল্লালের ভাগিনা মো. মোবারক হোসেন আকাশ জানান, সন্ধ্যার দিকে আনারকলি মার্কেটের সামনে কয়েকজন আকাশকে প্রথমে মারধর করে। এরপর মামা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে ডেকে আনেন তিনি। রাত ৮টার দিকে ওই মারামারির প্রেক্ষিতে সালিশি বৈঠক চলছিল। তখন যুবদলের রমনা থানার আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবু ও তার সঙ্গে থাকা রমনা থানার সেক্রেটারি লুৎফরের মাঝে বিল্লালের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে বাবুর নেতৃত্বে তার অনুসারীরা বিল্লালকে ছুরিকাঘাত করে। পরে বিল্লালকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসকের বরাত অনুযায়ী, ঢামেক পুলিশের ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনাটি রমনা থানায় জানানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন