প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নে একই জায়গায় পাশে অবস্থানরত তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাউন্ডারি না থাকায় চরম দুর্ভোগে পতিত হয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে সীমানাপ্রাচীরের অভাবে কেবল নিরাপত্তার সংকট নয়, শিক্ষার পরিবেশ নিয়েও নানাবিধ সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
এই প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো—ছোটবাইশদিয়া ফজলুল করিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নয়াভাংগুনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ছোটবাইদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট কলেজ। স্থানীয়দের মতামত অনুযায়ী, এক জায়গায় তিনটি প্রতিষ্ঠান পাশাপাশি অবস্থান করা সত্ত্বেও সুনির্দিষ্ট বাউন্ডারি অনুপস্থিতির কারণে প্রতিষ্ঠানের ভিতরে অবাধে প্রবেশ করে গবাদিপশু। এর ফলে মাঠ ও অন্যান্য স্থাপনার ক্ষতি হবার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক চলাফেরায় বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ রয়েছে, ক্লাস চলাকালীন সময়ে বাইরের অজানা ব্যক্তিরা এবং গবাদিপশুরা প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে প্রবেশ করে। যা তাদের পড়াশোনার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছোট শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বলছেন, বাউন্ডারি অপ্রতিষ্ঠিত থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় কঠিন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা তাদের জন্য খুবই কঠিন হয়ে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের দাবি হলো, তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য পরিকল্পিতভাবে সীমানা নির্ধারণ করে দ্রুত বাউন্ডারি নির্মাণ করা হোক। এতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে ক্লাস কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কর্তৃপক্ষ।
শেষ কথা হলো, “একই জায়গায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অথচ নেই সুনির্দিষ্ট বাউন্ডারি। ফলে প্রতিদিনই নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বাউন্ডারি নির্মাণের দাবি এখন স্থানীয়দের।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন