প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি লা লিগার মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদ বার্সেলোনাকে ২-১ গোলে পরাজিত করে মাঠে জয় অর্জন করে। তবে সেই রোমাঞ্চকর ম্যাচটি যখন রিয়ালের ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার এডার মিলিতাও ডাগআউটে বসে উপভোগ করছিলেন, ঠিক তখনই তার বাসায় ঘটে যায় একটি বড় চুরির ঘটনা। এল ক্লাসিকোর উত্তেজনার সুযোগ নিয়ে চোরেরা হানা দিয়ে মিলিতাওয়ের বাসা থেকে প্রায় সাড়ে তিন লাখ ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকা) মূল্যের মূল্যবান সম্পদ ও গয়না লুটে নিয়ে যায়।
স্প্যানিশ প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম এল মুন্দোর বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যখন মাঠে রিয়াল ও বার্সার মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল, তখন মিলিতাওয়ের বিলাসবহুল বাড়ির তৃতীয় তলার বাথরুমের জানালা ভেঙে চোরেরা ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা ব্রাজিলিয়ান তারকার ব্যক্তিগত শোবার ঘরটি সম্পূর্ণরূপে তছনছ করে ফেলে এবং সেখান থেকে নামিদামি ব্র্যান্ডের দামি ব্যাগ, বিলাসবহুল ঘড়ি ও বহুমূল্য গয়না চুরি করে পালিয়ে যায়।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, ম্যাচ শেষে বাড়ি ফিরে মিলিতাও দেখতে পান যে তার সংগ্রহে থাকা ৫৩ হাজার ইউরো মূল্যের একটি রোলেক্স ঘড়ি এবং প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ইউরো মূল্যের একটি অতি মূল্যবান রিচার্ড মিল ঘড়ি উধাও হয়ে গেছে। শুধু ঘড়িই নয়, এর পাশাপাশি প্রায় ১৫ হাজার ইউরো মূল্যের তিনটি শ্যানেল ব্যাগ, প্রায় ২৫ হাজার ইউরো মূল্যের কার্টিয়ার ব্র্যান্ডের আংটি ও ব্রেসলেট এবং আরও কিছু এক্সক্লুসিভ গয়না, ব্রেসলেট ও স্যুটকেস চুরি হয়েছে। সব মিলিয়ে খুইয়ে ফেলা এই জিনিসগুলোর মোট আর্থিক মূল্য ৩ লাখ ৫০ হাজার ইউরো ছাড়িয়ে যাবে।
সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো, ঘটনার সময় মিলিতাওয়ের পরিবারের সদস্যরা বাসাতেই উপস্থিত ছিলেন এবং তারা নিচতলায় বসে পরম উত্তেজনায় এল ক্লাসিকো ম্যাচ দেখছিলেন। কিন্তু বাড়ির ওপরের তলায় যে এত বড় সর্বনাশ ঘটে গেছে, তা তারা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্পেনে হাই-প্রোফাইল ফুটবলারদের বাড়ি টার্গেট করে এ ধরনের অপরাধমূলক ও চুরির ঘটনা যেন এক নিয়মিত চিত্রে পরিণত হয়েছে। এডার মিলিতাওয়ের ক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি তারই সর্বশেষ একটি ভয়াবহ উদাহরণ। এর আগে ২০২২ সালে বার্সেলোনার তৎকালীন ফরোয়ার্ড পিয়ের-এমেরিক অবামেয়াং তার বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাতির শিকার হয়েছিলেন, সে সময় ডাকাতদের শারীরিক হামলায় তার চোয়াল পর্যন্ত ভেঙে গিয়েছিল।
এমনকি চলতি মাসেই অনুরূপভাবে চুরির শিকার হয়েছেন রিয়াল বেটিসের স্ট্রাইকার ট্রয় প্যারট এবং প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) সাবেক গোলরক্ষক সার্জিও রিকোও।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন