প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার ফুটবল লিগ এনএফএলের যেসব খেলোয়াড় ২০০৮ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশের মস্তিষ্কে দীর্ঘমেয়াদি আঘাতজনিত রোগের লক্ষণ দেখা গেছে। এই তথ্য নতুন একটি গবেষণায় উঠে এসেছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত গবেষণাটি এ রোগের উপস্থিতি নিয়ে এখন পর্যন্ত পাওয়া সর্বোচ্চ আনুমানিক হিসাব তুলে ধরেছে।
দীর্ঘমেয়াদি আঘাতজনিত মস্তিষ্কের রোগটি ‘সিটিই’ নামে পরিচিত। মাথায় বারবার আঘাত লাগার ফলে মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটতে পারে, যা স্মৃতিশক্তি হ্রাস, বিষণ্নতা ও আচরণগত সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত।
গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের আলঝেইমার রোগ ও সিটিই গবেষণাকেন্দ্রের গবেষকেরা। তারা ৩৯৬টি দান করা মস্তিষ্কের তথ্য এবং মারা যাওয়া ১ হাজার ৯৬৬ জন সাবেক এনএফএল খেলোয়াড়ের তথ্য বিশ্লেষণ করেন।
দান করা মস্তিষ্কগুলোর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশে সিটিইর লক্ষণ পাওয়া গেছে। তবে গবেষকেরা উল্লেখ করেছেন, যাদের স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাভাবনায় অবনতির লক্ষণ ছিল, তাদের পরিবারের মস্তিষ্ক দান করার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। এই পক্ষপাত বিবেচনায় নিয়ে তারা হিসাব করেছেন, মৃত সাবেক খেলোয়াড়দের প্রায় ৭৫ শতাংশের মস্তিষ্কে রোগটির লক্ষণ থাকতে পারে।
গবেষকেরা আরও জানিয়েছেন, মস্তিষ্কে সিটিইর লক্ষণ থাকা মানে প্রত্যেকের স্মৃতিশক্তি কমবে বা স্মৃতিভ্রম হবে, এমন নয়। গবেষণায় সাবেক খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রায় ২৭ শতাংশের স্মৃতিভ্রংশের সম্ভাব্য হিসাব পাওয়া গেছে।
বারবার মাথায় আঘাত লাগলে মস্তিষ্কে টাউ নামের এক ধরনের প্রোটিন জমা হতে পারে। সময়ের সঙ্গে এ ধরনের ক্ষতি বাড়তে পারে, গবেষকেরা এ কথা জানিয়েছেন। তবে জীবিত অবস্থায় বর্তমানে সিটিই নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি নেই; মস্তিষ্কের ময়নাতদন্তের মাধ্যমেই রোগটি নিশ্চিত করা সম্ভব।
সূত্র: এনবিসি নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন