প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত নতুন মোড় নিচ্ছে। একদিকে রয়েছে আকস্মিক হামলার খবর, অন্যদিকে চলছে সামরিক শক্তির নতুন বিন্যাস ও অর্থনৈতিক কৌশল। এমন অস্থিরতার মাঝে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।
হুথি পরিচালিত সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরাহ জানিয়েছে, তারা নাজরান শহরের বিমানবন্দর এবং আরামকো তেল স্থাপনার মতো সংবেদনশীল জায়গাগুলোতে হামলা চালিয়েছে। যদিও সৌদি কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।
এসব উত্তেজনার মধ্যে সাগরপথে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি নতুন করে সাজাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের রণতরি ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’ এখন ওই অঞ্চলে অবস্থান করছে। দীর্ঘ সময় ধরে সাগরে থাকা ‘ইউএসএস লিংকন’-এর কর্মীদের একধরনের সংকট তৈরি হওয়ার পর নতুন এই রণতরি সেখানে পাঠানো হলো।
অন্যদিকে, ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক চাপ খুব একটা কাজে আসছে না। তেহরানের ফলিত বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোস্তফা খোশচেশম জানিয়েছেন, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই দফা সংঘাত প্রমাণ করে, ইরান বিকল্প পথ খুঁজে নিয়েছে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে বাণিজ্য করে তারা প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি সচল রেখেছে।
তিনি বলছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের বদলে অর্থনৈতিক চাপের কথা বলছেন মূলত বৈশ্বিক বাজার স্বাভাবিক রাখতে এবং তেলের দাম কমাতে। তবে আগামী শরতে ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র নতুন সামরিক অভিযানে নামতে পারে বলে ধারণা করছেন এই বিশ্লেষক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন