প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর কলম্বিয়ার বিভিন্ন শহরে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চারটি শহরের মেয়র ও গভর্নরদের পক্ষ থেকে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ১৮১ জন নিহত হয়েছেন।
তবে ৩ হাজারেরও বেশি লোকের এখনো খোঁজ মেলেনি। বিবিসির একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
শহর ও অঞ্চলগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ক্যালি, পেরেইরা, চোকো ও মানিজালেস। স্থানীয় সময় সোমবার ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে এসব এলাকায় ব্যাপক ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা এখন ১৮১ জন। কিন্তু স্থানীয় কর্মকর্তাদের প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ২৪০ জনেরও বেশি হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট দে লা এস্প্রিয়েল্লা দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। পেরেইরার মেয়র মরিসিও সালাজার মন্তব্য করেন, এটি হাজার হাজার পরিবারের জন্য একটি বড় বিপর্যয়।
তবে তিনি আরো বলেন, আমরা ভেঙে পড়িনি। আমরা ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে সামনে এগিয়ে যাব।
এদিকে, সাধারণ নাগরিকদের উদ্যোগে একটি ওয়েবসাইটে নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সেখানে ৩ হাজার ৪০০ জনের সন্ধানের আবেদন করা হয়েছে। জানা গেছে, ভূমিকম্পের ফলে প্রায় ১ হাজার ৬০০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধসে পড়েছে।
মঙ্গলবার সকালে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে পোড়া গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের পাশের এলাকার চোকোতে উদ্ধারকারীদের মধ্যে বেশ তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। এটি কলম্বিয়ার অন্যতম দরিদ্র ও অবহেলিত অঞ্চল। সেখানকার অধিকাংশ এলাকায় যাতায়াত করতে হয় নৌকা, জঙ্গল পেরিয়ে অথবা উড়োজাহাজে করে।
ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা করতে সোমবার রাতে চোকো অঞ্চলের রাজধানী কিবদায় সফর করেছিলেন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানিয়েছেন, চোকো আর কখনোই অবহেলিতদের ভূমি হয়ে থাকবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন