প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জামালপুরের বকশীগঞ্জে দৈনিক মানবকণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি ও বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে তা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে বকশীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী দীর্ঘদিন ধরে বকশীগঞ্জে সংবাদকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। বক্তাদের দাবি, এ কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হয়রানি করার জন্য মামলাটি করা হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে বক্তাদের বক্তব্যে একটি জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টিও উঠে আসে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দাগের জমির বি.আর.এস. রেকর্ড নুরুন্নাহার ওরফে কাপাশি বিবির নামে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত ছিল। ১৯৯০ সালের দিকে ওই এলাকায় চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে সাংবাদিক হিলারীর দাদা-শ্বশুর হেকমত আলী, শ্বশুর লিয়াকত আলী ও ফুফু-শাশুড়িসহ তিনজন মিলে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছিলেন বলে দাবি করা হয়।
বক্তাদের অভিযোগ, রাস্তা নির্মাণের পর খতিয়ানের হোল্ডিং থেকে রাস্তার অংশ আলাদাভাবে কর্তন না হওয়ায় পরবর্তীতে ওই জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি, আবুল কাশেম কাশি কৌশলে রাস্তার জমি নিজের নামে খারিজ করে নেন এবং সাংবাদিক হিলারী ওই সম্পত্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকলেও তাকে মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কাশেম কাশির বক্তব্য জানা যায়নি।মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক শাহীন আল আমিন, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক আব্দুল লতিফ লায়ন, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম রনি, সমকালের সাংবাদিক মাসুদুল হাসান, আরটিভির প্রতিনিধি জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, প্রতিদিনের কাগজের প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান লিমন, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালন, নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি আল মুজাহিদ বাবু,সাংবাদিক মারুফ হাসান, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি আশরাফুল হায়দার, আমার দেশের প্রতিনিধি রকিবুল হাসান বিদ্রোহী, দেশের কণ্ঠের প্রতিনিধি সালাম মাহমুদ, রূপালী বাংলাদেশের প্রতিনিধি মুস্তাফা গাজী, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি রাসেল রানা, সাংবাদিক হারুনুর রশিদ, রিপন রাজ, সকালের সময়ের প্রতিনিধি জামিল মিয়া, আজকের বসুন্ধরার প্রতিনিধি ইমরান মাহমুদ, প্রাইম টিভির প্রতিনিধি সাদিয়া ইসলাম, গণকণ্ঠের প্রতিনিধি ইমরান মিয়া, আমিনুল ইসলাম, তাহের, মনোহার আলীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।বকশীগঞ্জে সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
রাশেদুল ইসলাম রনি :
জামালপুরের বকশীগঞ্জে দৈনিক মানবকণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি ও বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে তা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে বকশীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী দীর্ঘদিন ধরে বকশীগঞ্জে সংবাদকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। বক্তাদের দাবি, এ কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হয়রানি করার জন্য মামলাটি করা হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে বক্তাদের বক্তব্যে একটি জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টিও উঠে আসে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দাগের জমির বি.আর.এস. রেকর্ড নুরুন্নাহার ওরফে কাপাশি বিবির নামে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত ছিল। ১৯৯০ সালের দিকে ওই এলাকায় চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে সাংবাদিক হিলারীর দাদা-শ্বশুর হেকমত আলী, শ্বশুর লিয়াকত আলী ও ফুফু-শাশুড়িসহ তিনজন মিলে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছিলেন বলে দাবি করা হয়।
বক্তাদের অভিযোগ, রাস্তা নির্মাণের পর খতিয়ানের হোল্ডিং থেকে রাস্তার অংশ আলাদাভাবে কর্তন না হওয়ায় পরবর্তীতে ওই জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি, আবুল কাশেম কাশি কৌশলে রাস্তার জমি নিজের নামে খারিজ করে নেন এবং সাংবাদিক হিলারী ওই সম্পত্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকলেও তাকে মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কাশেম কাশির বক্তব্য জানা যায়নি।মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক শাহীন আল আমিন, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক আব্দুল লতিফ লায়ন, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম রনি, সমকালের সাংবাদিক মাসুদুল হাসান, আরটিভির প্রতিনিধি জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, প্রতিদিনের কাগজের প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান লিমন, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালন, নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি আল মুজাহিদ বাবু,সাংবাদিক মারুফ হাসান, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি আশরাফুল হায়দার, আমার দেশের প্রতিনিধি রকিবুল হাসান বিদ্রোহী, দেশের কণ্ঠের প্রতিনিধি সালাম মাহমুদ, রূপালী বাংলাদেশের প্রতিনিধি মুস্তাফা গাজী, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি রাসেল রানা, সাংবাদিক হারুনুর রশিদ, রিপন রাজ, সকালের সময়ের প্রতিনিধি জামিল মিয়া, আজকের বসুন্ধরার প্রতিনিধি ইমরান মাহমুদ, প্রাইম টিভির প্রতিনিধি সাদিয়া ইসলাম, গণকণ্ঠের প্রতিনিধি ইমরান মিয়া, আমিনুল ইসলাম, তাহের, মনোহার আলীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন