প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৬ অক্টোবর ২০২৬ : মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ বৃদ্ধি বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি বড় সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।
আজ মঙ্গলবার মালের বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মালদ্বীপের (আইইউএম) ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে সাত দিনের সোশ্যাল এন্টারপ্রেনিউরশিপ এক্সপোজার প্রোগ্রাম (এসইইপি) ২০২৬ সম্পন্ন করে মালেতে ফিরে আসার পর হাইকমিশনারের সাথে সাক্ষাৎ করতে আসে।
মালেতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে আয়োজিত এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে আইইউএম-এর স্নাতক, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের ১০ জন শিক্ষার্থী এবং ১ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
হাইকমিশনার ড. নাজমুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের তরুণদের মধ্যে নিয়মিত একাডেমিক ও শিক্ষাবিনিময় কর্মসূচি দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সামাজিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। এটি আমাদের প্রস্তাবিত ‘পাওয়ার অব বন্ডিং’-এর একটি অর্থবহ প্রতিফলন, যা সাংস্কৃতিক ও জনকূটনীতির মাধ্যমে দুদেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।’
সাক্ষাৎকালে শিক্ষার্থীরা ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে তাদের একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার অনুভূতি তুলে ধরেন। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) আতিথেয়তায় আয়োজিত এ সফরকালে শিক্ষার্থীরা সামাজিক ব্যবসা, সামাজিক উদ্যোক্তা কার্যক্রম ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বিষয়ক বিশেষ সেশনে অংশগ্রহণ করেন।
এই সফরের সময় প্রতিনিধিদলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, লালবাগ কেল্লা, ইউনূস সেন্টার ও নোবেল মিউজিয়ামসহ গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্থান পরিদর্শন করে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, অর্থনীতি ও মানুষের আতিথেয়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
হাইকমিশনার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মালদ্বীপ এবং স্বাগতিক ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের প্রতি এই সফল উদ্যোগের জন্য গভীর ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন