প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ৫০০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে, যা রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান বিমান হামলা মোকাবিলায় সহায়ক হবে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এসব ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পেতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
বিবিসির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জানায়, উন্নত প্রযুক্তির পিএসি-৩ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বিক্রির জন্য ২১০ কোটি ডলার ব্যয় হবে। এই অর্থের পুরোটা ইউরোপের মিত্র দেশ ও কানাডা বহন করবে।
জেলেনস্কি শুক্রবার রাতে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দ্রুত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। কিয়েভ রাশিয়ার ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের জন্য প্যাট্রিয়টের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
চলতি মাসের শুরুতে জেলেনস্কি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করার চুক্তির অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল। এ নিয়ে ইউক্রেন ক্ষোভ প্রকাশ করে।
ট্রাম্প একপর্যায়ে মন্তব্য করেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করার জন্য ইউক্রেনের নতুন নেতা প্রয়োজন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে। এর আগে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ও পূর্বাঞ্চলীয় দনবাসের কিছু এলাকা দখল করে নেয় মস্কো।
তবে গত ২০ অক্টোবর নরওয়ের রাজধানী অসলোতে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা কমে আসে।
শুক্রবারের বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, এই অস্ত্র বিক্রির মাধ্যমে ইউরোপের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখা একটি অংশীদার দেশের নিরাপত্তা জোরদার হবে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্য পূরণেও সহায়ক হবে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কানাডা, জার্মানি ও নরওয়ের অনুদানের মাধ্যমে ইউক্রেন এ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য অর্থ জোগাবে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউক্রেন সহায়তা ঋণের আওতায় জাতীয় তহবিল থেকেও অর্থ দেওয়া হবে। এ অর্থায়ন করা হবে জাম্পস্টার্ট কর্মসূচির মাধ্যমে।
মার্কিন অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন থাকবে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের প্রধান ঠিকাদার হিসেবে। পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই বিক্রিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সরকারি অর্থ ব্যয় হবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন