প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় রাসুয়া জেলায় আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও চরম বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। এতে বহু রাস্তাঘাট এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বানের পানিতে নদীগুলোর উপচে পড়ে পাহাড়ি উপত্যকাগুলো ডুবে গেছে। স্থানীয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের রক্ষায় ইতোমধ্যে সশস্ত্র বাহিনী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে।
উজান থেকে নেমে আসা কাদামাটি ও পানির তোড়ে নদী তীরবর্তী লোকালয়গুলোর বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে জানান, বন্যার ভয়াবহতা অত্যন্ত বেশি এবং এর ফলে অনেক বসতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কোনো ধরনের ঝুঁকি না নিয়ে নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে উদ্ধারকাজে পুলিশের সব ধরনের সম্পদ নিয়োগ করা হয়েছে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সাথে জরুরি বৈঠক করেছেন। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহায়তায় মেডিকেল টিম, স্কাউটস এবং রেড ক্রসের সমন্বয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। উদ্ধারকাজ ত্বরান্বিত করতে নেপাল সেনাবাহিনী আকাশে হেলিকপ্টার এবং বিশেষ উদ্ধারকারী দল নামিয়েছে। সেনাবাহিনী থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।
এদিকে, দুর্যোগের কারণে দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জলবিদ্যুৎ ও সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ প্রায় ৪৩০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার অবকাঠামো এবং জাতীয় ট্রান্সমিশন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে দেশের এক বিশাল অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এর পাশাপাশি পাহাড়ি ধস ও বানের পানিতে বেশ কয়েকটি প্রধান মহাসড়ক বন্ধ হয়ে পড়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে।
সূত্র: এএফপি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন