প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান আন্দোলনের দ্বাদশ দিনে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অচলাবস্থা নিরসনে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটায়, নবনিযুক্ত উপাচার্যের বক্তব্যকে ‘বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক’ আখ্যা দিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
জানা গেছে, শুক্রবার একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নবনিযুক্ত উপাচার্য বলেছেন, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের চারটি পরীক্ষা আন্দোলনের কারণে আটকে রয়েছে।
তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, এই বক্তব্য ক্যাম্পাসের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাদের ভাষ্য, ওই শিক্ষাবর্ষের প্রায় সব বিভাগের পরীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, শুধু একটি বিভাগের পরীক্ষা এখনো শুরু হয়নি।
মিছিলে শিক্ষার্থীদের হাতে ‘চুয়েটের অচলাবস্থা কাটাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা’ লেখা ব্যানার দেখা যায়। এছাড়া ‘চুয়েট সচলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ’, ‘চুয়েট রিভোল্টস ফর সায়েম স্যার’ ও ‘পিএম, কনসিডার আওয়ার আপিল’ লেখা প্ল্যাকার্ডও ছিল।
ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার হিশাম বলেন, "আমরা আমাদের সায়েম স্যারকে আবার উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। প্রশাসনের নীরবতায় আমরা ক্ষুব্ধ। আন্দোলনের কারণে আমাদের ক্লাস-পরীক্ষা সব বন্ধ রয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তিনি যেন দ্রুত আমাদের সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেন। আমরা ক্লাসে ফিরতে চাই।"
উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে তাদের এ আন্দোলন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন