প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ব্যয় কমানো ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহারের অংশ হিসেবে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তার নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি, চালক এবং নিজ খরচে কেনা জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কর্মদিবসে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নিজের টয়োটা গাড়িতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শেরেবাংলা নগরে যান, পরে একই গাড়িতে সচিবালয়েও যান। তিনি সরকারি গাড়ি ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি ব্যবহার থেকে বিরত রয়েছেন পাঁচ প্রতিমন্ত্রী, আট উপদেষ্টা এবং দুই বিশেষ সহকারী।
বৃহস্পতিবার (১৩ অগাস্ট) সন্ধ্যায় সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সরকারি গাড়ি ব্যবহার না করা পাঁচ প্রতিমন্ত্রী হলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্দ সোহেল মনজুর সুমন, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
উপদেষ্টাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, মো. রুহুল কবির রিজভী, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, ডাক ও টেলিযোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান পরিবহন পুল থেকে কোনো গাড়ি নেননি এবং তারা সকলেই নিজ নিজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করছেন।
এছাড়া স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনিও সরকারি গাড়ির বদলে নিজেদের গাড়িতে চলাচল করছেন।
সূত্র বলছে, পাঁচ প্রতিমন্ত্রী, আট উপদেষ্টা ও দুই বিশেষ সহকারীসহ মোট ১৫ জন সরকারি গাড়ি ব্যবহার না করায় হিসাব অনুযায়ী এসব গাড়ির পেছনে বছরে প্রায় ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয় এড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহারে এ ধরনের সংযম রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানোর পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয় এবং ভিআইপি চলাচলের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন