প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জামালপুর সদরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করার অভিযোগে স্বামী জনি মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, আসামি জনি মিয়া বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত জনি মিয়া (৩৫) উপজেলার দড়িমোহনপুর এলাকার ইয়াকুব আলীর ছেলে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে সদর উপজেলার লাহিড়ীকান্দা এলাকার উম্মে কুলছুমের মেয়ে তমা খাতুনের সঙ্গে জনি মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কনের পরিবার পাঁচ হাজার টাকার হাঁড়িপাতিল ও কাপড়চোপড় প্রদান করে। বিয়ের কয়েক মাস পর অটোরিকশা কেনার জন্য শ্বশুরবাড়ির কাছে আড়াই লাখ টাকা দাবি করেন জনি। দরিদ্র পরিবারটি ওই টাকা দিতে না পারলে তমার ওপর নির্যাতন শুরু করেন জনি। এক পর্যায়ে ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ দুপুরে তমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার পর নিহতের মা উম্মে কুলছুম জামালপুর সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়।
জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ফজলুল হক জানান, মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত জনি মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন