প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আইপিএলের সর্বশেষ আসরের নিলামে কলকাতা নাইট রাইডার্স মোস্তাফিজুর রহমানকে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নিয়েছিল। তবে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির কারণে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে মোস্তাফিজকে আইপিএলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।
ভারত মোস্তাফিজকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায়, পুরো দল, টিম ম্যানেজমেন্ট, সাংবাদিক এবং দর্শকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গত মার্চে বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি অন্তবর্তীকালীন সরকার।
বাংলাদেশ চেয়েছিল পাকিস্তানের মতো শ্রীলংকায় গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সেই প্রস্তাবে রাজি হয়নি। ফলস্বরূপ, বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ দেওয়া হয় আইসিসি দ্বারা।
সেই সময় অন্তবর্তীকালীন সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা ছিলেন আসিফ নজরুল। বিশ্বকাপে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তের জন্য এখন তাকেই দায়ী করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, "বাংলাদেশ টিম যে ইন্ডিয়ায় গেল না, সেটার তদন্তে এসেছে তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এটার জন্য রেসপন্সিবল।" পরে তিনি আরও বলেন, "উনি আসলে কখনো এটা নিয়ে কোনো লুকোছাপা করেননি। উনি আগেও জানিয়েছিলেন—এটা আসলে উনি উনার সিদ্ধান্তে করেছেন।"
মঙ্গলবার তিনি বলেন, "এখন প্রশ্ন হচ্ছে—এই সিদ্ধান্তটা কি এমন কোনো সিদ্ধান্ত, যেটা আসলে আমরা কোনো না কোনোভাবে অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে পারি? একটা জিনিস খেয়াল করব, আমি একটু আগেই এ কথাটা বলেছি যে—ওই প্রেক্ষাপটে ইন্ডিয়াতে যাওয়া উচিত হবে কি হবে না, এটা কিন্তু খুবই সাবজেক্টিভ ডিসিশন। এখন উনি যেহেতু দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, উনার কাছে মনে হয়েছে।"
এটা কারও কাছে ভিন্ন মনে হতে পারে উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, "উনার কাছে যেহেতু মনে হয়েছে, উনি ওই প্রেক্ষাপটে সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন। এটার পক্ষেও মানুষ আছে, বিপক্ষেও মানুষ আছে।"
তিনি বলেন, "উনি ওই কাজটা করার মাধ্যমে উনার ওপরে যে অর্পিত দায়িত্ব ছিল, উনার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সেখানে কোনো আইনি ব্যত্যয় উনি ঘটিয়েছেন—এমনভাবে যেহেতু বলা যাবে না। তাই উনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে, সেরকম কিছু না। বরং এটা আমাদের সোশ্যাল স্ফিয়ারে থাকুক, মানুষ কথা বলুক পক্ষে-বিপক্ষে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন