প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আকস্মিক বন্যার ভয়াবহ তাণ্ডবের পর জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি যৌথভাবে কাজ করার জরুরি আহ্বান জানিয়েছে নেপাল। দেশটি বলছে, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রমাণ করেছে, প্রকৃতি কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা কিংবা মানচিত্র চেনে না।
কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড অন্বীক্ষা সম্মেলনে নেপালের ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির সভাপতি রবি লামিছানে এই বার্তা দেন। তিনি ভারত ও চীনের প্রতি একযোগে কাজের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তিন দেশ হলেও আমাদের পর্বতমালা একটিই। তিনি উল্লেখ করেন, বুধবার যে পানির তোড়ে প্রাণহানি ঘটেছে, তা কারও সীমানা বিবেচনা করেনি। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার চেয়ে হিমালয় দ্রুত বদলে যাচ্ছে। হিমবাহ গলে সেখানে নতুন হ্রদ তৈরি হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনকে বর্তমানের বাস্তবতা উল্লেখ করে তিনি একটি অভিযোজন পরিকল্পনার ওপর জোর দেন।
নেপালের এই নেতা বলেন, উপত্যকার পরিবারগুলোকে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য অন্তত ২০ মিনিট সময় দিতে একটি সমন্বিত আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।
বন্যার ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, আকস্মিক ঢলে বহু গ্রাম, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাড়িঘর ও সেতু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। অনেক পরিবার এখন তাদের নিখোঁজ স্বজনদের খবরের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ত্রাণসামগ্রী পাঠানো এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন শাহকে ফোন করার জন্য তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান।
এদিকে দুর্যোগে বেঁচে ফেরা মানুষেরা নিজেদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন। জনক বাহাদুর নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানান, পাহাড়ি ঢল হঠাৎ বোমার মতো এসে সব ভাসিয়ে নিয়ে যায়। সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এখনও কতজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন, তা জানা যাচ্ছে না। ফলে দুর্গতদের উদ্ধারে সাহায্যকারী দলগুলো মূলত হেলিকপ্টারের ওপর নির্ভর করছে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন