প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পে-স্কেল বাস্তবায়নে সচিব কমিটির সভায় কয়েকটি বিশেষ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বৈঠকে আলোচনা হয়েছে সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন ভাতার বিষয়েও। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে যে, প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাবে, কিন্তু বিভিন্ন খাতের ভাতায় বড় ধরনের কাটছাঁট হতে পারে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নবম পে-স্কেলের রূপরেখা, আর্থিক প্রভাব এবং বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
এদিকে ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। এর জন্য নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দও রাখা হয়েছে।
তবে বেতন বেড়ে যাওয়ায় সরকারি খরচ কমাতে চাকরিজীবীদের বিভিন্ন ভাতা সমন্বয় করা হতে পারে।
এর অংশ হিসেবে বাড়িভাড়া ভাতা কমে আসতে পারে। বর্তমানে অঞ্চলভেদে মূল বেতনের ৪৫ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িভাড়া দেয়া হয়। নতুন কাঠামোয় মূল বেতন দ্বিগুণ বা তার কাছাকাছি বেড়ে গেলে যদি এই শতাংশ একই রাখা হয়, তাহলে সরকারি ব্যয় আকাশচুম্বী হয়ে যাবে। তাই বাড়িভাড়া ভাতার শতাংশ কমিয়ে একটি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
কমতে পারে চিকিৎসা ভাতা। বর্তমানে সব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারী মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা ফিক্সড চিকিৎসা ভাতা পান। নতুন স্কেলে এই ভাতার হার পুনর্নির্ধারণ কিংবা একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের শিক্ষা সহায়ক ভাতাও কমতে পারে। বর্তমানে দুই সন্তানের জন্য সরকারি কর্মচারীরা যে শিক্ষা সহায়ক ভাতা পান, সেটি পুনর্বিবেচনার আওতায় আনা হয়েছে। এর একটি সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেয়া হতে পারে।
এছাড়া যাতায়াত ও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা সমন্বয়ের পাশাপাশি অপ্রাসঙ্গিক ভাতা বিলোপ করারও প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন