প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রায় তিন বছর অপেক্ষার পর অবশেষে ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে ফিরে এলেন নেইমার। সেই প্রত্যাবর্তনের দৃশ্যটি হয়ে উঠেছিল আবেগঘন এক মুহূর্ত।
ম্যাচের শুরুর আগে ব্রাজিলের বেঞ্চের সামনে ফটোগ্রাফারদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। তাদের নজর ছিল বিশেষভাবে এক ব্যক্তির দিকে—'নেইমার'। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে তিনি আবার জাতীয় দলে ফিরছেন, যিনি ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বাধিক গোলদাতা।
অবশেষে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত এসে যায়। ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে ম্যাথিউস কুনহার বদলি হিসেবে মাঠে প্রবেশ করেন নেইমার। ৯৮১ দিন পর আবারও দেখা যায় তাকে ব্রাজিলের জার্সিতে। সেই সময় ব্রাজিল ছিল ৩-০ গোলে এগিয়ে, ফলে দলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত ছিল।
মাঠে নেমে যদিও বড় কোনো প্রভাব রাখতে পারছিলেন না, ম্যাচ শেষে ছিলেন আলোচনা কেন্দ্রে। শেষ বাঁশি বাজার পর নেইমার গ্যালারির দিকে এগিয়ে যান। সেখানে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তিনি আবেগ ধরে রাখতে পারেননি।
গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ব্রুনা বিয়ানকার্দি, যিনি বর্তমানে তাদের সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁর বড় ছেলে ডেভি লুকাওও সেখানে ছিলেন। বাবার কাছে যেতে গিয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের বাধার সম্মুখীন হলেও, পরে পরিস্থিতি পরিষ্কার হলে বাবা ও ছেলের আবেগঘন আলিঙ্গনে ফের পুরো স্টেডিয়াম আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠে।
ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতি বর্ণনা করতে গিয়ে নেইমার বলেন, 'খেলার পর আমি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম। পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সবাই কাঁদছিল, হাসছিল, আনন্দ করছিল। এটা ছিল অসাধারণ এক অনুভূতি।'
জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নেইমার বলেন, 'আমার লক্ষ্য ছিল বিশ্বকাপে খেলা এবং আবার ব্রাজিল দলে ফেরা। এই জার্সি পরতে আমি সবসময় ভালোবাসি। জাতীয় দলের হয়ে খেলাটা আমার জন্য বিশেষ কিছু।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন